Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বারিমণ্ডল, সেট-২

বারিমণ্ডল


প্রশ্ন:১
বানডাকা কাকে বলে ?

উত্তর: 
জোয়ারের সময়, বিশেষত ভরা জোয়ারের সময় সাগর-মহাসাগরের জল স্ফীত হয়ে সমুদ্রের অগভীর মহীসোপান, সংকীর্ণ নদী মােহানা বা চড়াযুক্ত নদীর মুখে প্রবল বেগে উজানের দিকে এগিয়ে চলে। এর ফলে নদীতে যে জলােচ্ছ্বাস ঘটে, তাকেই বানডাকা বলে। পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীতে প্রতিদিনই নির্দিষ্ট সময়ে বান ডাকে।


প্রশ্ন:২
জোয়ারভাটাকে কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগানাে হয় ?

উত্তর: 
জোয়ারের সময় জলরাশিকে নদীমােহানা বা সংকীর্ণ উপসাগরীয় অঞ্চলের কৃত্রিম জলাধারে সঞ্চয় করা হয়। সঞ্চিত জলরাশিকে টারবাইনের সাহায্যে জোয়ারশক্তি থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়। ভারতে—তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন অঞ্চলের খাড়িগুলিতে জোয়ারভাটাকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।


প্রশ্ন:৩
জোয়ারভাটার উপকারী বা অর্থকরী দিকগুলি কী কী ?

উত্তর: 
জোয়ারভাটার কতগুলি উপকারী দিক রয়েছে। যেমন—
(ক) জোয়ারের জলে নদীর গভীরতা বাড়ে, ফলে বড়াে জাহাজ নদীতে প্রবেশ করতে পারে। 
(খ) ভাটার টানে নদী পলি ও আবর্জনামুক্ত হয়, ফলে নদীখাত গভীর ও দূষণমুক্ত হয়। 
(গ) জোয়ারের লবণাক্ত জল শীতপ্রধান দেশের বন্দরগুলিকে বরফমুক্ত রাখে। 
(ঘ) জোয়ারের সময় সামুদ্রিক মাছ নদীতে প্রবেশ করলে মৎস্যজীবীদের সুবিধা হয়। 
(ঙ) জোয়ারভাটার প্রবল স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়।


প্রশ্ন:৪
কী কী কারণে নদীতে প্রবল বান ডাকে?

উত্তর: 
কতকগুলি বিশেষ কারণে, নদীতে বানের প্রাবল্য বেশি হয়। যেমন—
(ক) তেজ বা ভরা কটালের সময় জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় বানের প্রাবল্য বেশি হয়। 
(খ) নদী মােহানা প্রশস্ত কিন্তু নদীখাত অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ হলে অর্থাৎ, নদী মােহানার আকৃতি ফানেলের মতাে হলে বানের প্রাবল্য বেশি হয়। 
(গ) নদী মােহনায় অনেক চড়া থাকলে অর্থাৎ, নদীর গভীরতা যদি অপেক্ষাকৃত কম হয় তাহলেও বানের প্রাবল্য বাড়ে এবং 
(ঘ) নদীতে জলের পরিমাণ ও স্রোতের বেগ বেশি থাকলে বানের প্রাবল্যও বেশি হয়।


প্রশ্ন:৫
পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় ভরা জোয়ার হয় কেন ?

উত্তর: 
পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে। এরূপ অবস্থানে পৃথিবীর একই স্থানে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে। সম্মিলিত আকর্ষণ বলের প্রভাবে জোয়ারের জলের স্ফীতি সর্বাধিক হয়। এরূপ প্রবল জোয়ারকে ভরা জোয়ার বা ভরা কোটাল বলে। একমাত্র  পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতেই চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় আসে, তাই এই দুই তিথিতেই ভরা জোয়ার হয়।


প্রশ্ন:৬
জোয়ারভাটার প্রধান দুটি কারণ নির্দেশ করাে।

উত্তর: 
জোয়ারভাটার প্রধান দুটি কারণ হল—
(ক) চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ। সূর্যের তুলনায় চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে অবস্থান করায় জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে চাঁদের আকর্ষণই মুখ্য ভূমিকা নেয়। 
(খ) পৃথিবীর আবর্তনগতিজনিত কেন্দ্রবিমুখ বল বা বিকর্ষণ শক্তি।


প্রশ্ন:৭
জোয়ারভাটার টান কাকে বলে ?

উত্তর: 
পৃথিবীর আবর্তন গতির প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারভাটার স্রোতকে জোয়ারভাটার টান বলে। পৃথিবী বামাবর্তে আবর্তিত হওয়ায় আপেক্ষিকভাবে জোয়ারের জলের টান পূর্ব থেকে পশ্চিমদিকে হয় এবং ভাটার টান ঠিক তার বিপরীত দিকে অর্থাৎ, পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে হয়। একমাত্র উন্মুক্ত সমুদ্রেই জোয়ারভাটার টান স্পষ্ট বােঝা যায়।



প্রশ্ন:৮
ভরা জোয়ারের তুলনায় মরা জোয়ারে জলস্ফীতি অপেক্ষাকৃত কম হয় কেন ?

উত্তর: 
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একইস্থানে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে ভরা জোয়ার হয় বলে জলস্ফীতি প্রবল হয়। কিন্তু, শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাপেক্ষে সমকোণে অবস্থান করে এবং পৃথিবীর দুটি পৃথক স্থানকে আকর্ষণ করে। এই দুই তিথিতে সূর্যের আকর্ষণ চাঁদের আকর্ষণের বিরােধিতা করে। এজন্য এই দুই দিন মরা জোয়ার হয়। স্বাভাবিক কারণেই ভরা জোয়ারের তুলনায় মরা জোয়ারে জলস্ফীতি অনেক কম হয়।


প্রশ্ন:৯
জোয়ারভাটার অপকারী বা ক্ষতিকর দিকগুলি কী কী ?

উত্তর: 
জোয়ারভাটার কতকগুলি অপকারী বা ক্ষতিকর দিক রয়েছে। যেমন—
(ক) জোয়ারের জলে নদী লবণাক্ত হয়ে পড়লে নদীর জল ব্যবহারের অনুপযােগী হয়ে পড়ে। 
(খ) জোয়ারবাহিত পলি অনেক সময় নদীগর্ভ অগভীর করে তােলে। 
(গ) জোয়ারের জলস্ফীতি নদী তীরবর্তী অঞ্চলে চাষ-আবাদ ও বসতির ক্ষয়ক্ষতি করে।


প্রশ্ন:১০
মুখ্য ও গৌণ সৌর জোয়ার দিনের কোন্ কোন্ সময়ে ঘটে এবং কেন ?

উত্তর: 
সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে যে জোয়ার ঘটে তাকে সৌর জোয়ার বলে। কোনাে স্থান যখন সূর্যের নিকটবর্তী হয় তখন সেখানে আকর্ষণ বল বাড়ে এবং মুখ্য সৌর জোয়ার ঘটে। অন্যদিকে, কোনাে স্থান যখন সূর্য থেকে দূরবর্তী হয় অর্থাৎ, সূর্যের ঠিক বিপরীতদিকে অবস্থান করে, তখন সেখানে আকর্ষণ বল কমে এবং গৌণ সৌর জোয়ার ঘটে। সুতরাং, কোনাে স্থানে মধ্যাহ্নকালীন সময়ে মুখ্য সৌর জোয়ার এবং মধ্যরাত্রিকালীন সময়ে গৌণ সৌর জোয়ারের সৃষ্টি হয়।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত