Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১০

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান


প্রশ্ন:১
বালব্ বা কন্দ কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে সব মৃদগত কাণ্ড সর্বাপেক্ষা ছােটো চাকতির মতাে এবং সঞ্চিত খাদ্যবিহীন, কাণ্ডে পর্ব ও সংকুচিত পর্বমধ্য থাকে এবং রসালাে শল্কপত্রযুক্ত হয়, কাণ্ডের নীচে অসংখ্য গুচ্ছমূল থাকে এবং অনুকূল ঋতুতে ভৌমপুষ্পদণ্ড সৃষ্টি হয়, তাদের বালব্ বা কন্দ বলে। পেয়াজ, রসুন ইত্যাদির কাণ্ড এই রকমের।


প্রশ্ন:২
পর্ণকাণ্ড বা ফাইলােক্ল্যাড কাকে বলে ?

উত্তর: 
যেসব কাণ্ড খর্ব, স্থূল, রসালাে এবং পাতার মতাে চ্যাপটা ও সবুজ, তাদের পর্ণকাণ্ড বলে। ফণীমনসা উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়।


প্রশ্ন:৩
বুলবিল কী ?

উত্তর: 
কাক্ষিক মুকুল খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত ও গোলাকার ধারণ করলে তাকে বুলবিল বলে। এই মুকুল উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। চুপড়ি আলু, কন্দ পুষ্প ইত্যাদিতে বুলবিল দেখা যায়।


প্রশ্ন:৪
সাকার বা ঊর্ধ্বধাবক কাকে বলে ?

উত্তর: 
যেসব কাণ্ড মাটির নীচে অবস্থিত কাণ্ডের কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন হয়ে কিছুটা মাটির নীচে বিস্তার লাভ করে এবং পরবর্তী অংশ মাটির উপরে উঠে এসে বায়বীয় বিটপ গঠন করে এবং পর্ব ও পর্বমধ্য ধারণ করে, তাদের সাকার বা ঊর্ধ্বধাবক বলে। চন্দ্রমল্লিকার কাণ্ড এইপ্রকারের।


প্রশ্ন:৫
রাইজোম বা গ্রন্থিকন্দ কী ?

উত্তর: 
যে সব মৃদগত কাণ্ড খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত ও রসালাে হয় এবং পর্ব, পর্বমধ্য, মুকুল ও শল্কপত্র ধারণ করে, মাটির নীচে অনুভূমিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং নির্দিষ্ট আকৃতিবিহীন হয়, তাদের রাইজোম বা গ্রন্থিকন্দ বলে। আদা, হলুদ ইত্যাদি কাণ্ড এই ধরনের।


প্রশ্ন:৬
অফসেট বা হ্রস্বধাবক কাকে বলে ?

উত্তর: 
যেসব অর্ধবায়বীয় কাণ্ডের পর্বগুলি খুব ছােটো এবং স্থূল হয়ে কাণ্ডটি খর্বাকার হয়েছে এবং পর্ব থেকে অস্থানিক মূল ও পাতা সৃষ্টি হয়, তাদের অফসেট বা হ্রস্বধাবক বা খর্বধাবক বলে। কচুরিপানায় এইরকম ধাবক দেখা যায়।


প্রশ্ন:৭
করম্ বা গুঁড়িকন্দ কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে সব মৃদগত কাণ্ড খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে গােলাকার ও বৃহদাকার হয় এবং মুকুল, শল্কপত্র, পর্ব ও পর্বমধ্য ধারণ করে, তাদের করম্ বা গুঁড়িকন্দ বলে। 
যেমন—ওল।


প্রশ্ন:৮
স্টোলন বা বক্ৰধাবক কাকে বলে ?

উত্তর: 
যেসব কাণ্ড মাতৃউদ্ভিদের ভূনিম্নস্থ কাণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে বক্রাকারে ভূমি থেকে ওপরে উঠে আসে এবং কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে পুনরায় ভূমি স্পর্শ করে এবং ভূমি সংলগ্ন পর্ব থেকে অস্থানিক মূল ও বিটপ সৃষ্টি করে, তাদের স্টোলন বা বক্ৰধাবক বলে। মেন্থা, স্ট্রবেরি এই ধরনের কাণ্ড।


প্রশ্ন:৯
রানার বা ধাবক কাকে বলে ?

উত্তর: 
যেসব কাণ্ড মাতৃ উদ্ভিদের কাণ্ডের সবচেয়ে নীচের পর্বের কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন হয়ে মাটির ওপর সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পায়, পর্বমধ্যগুলি দীর্ঘ হয়, তাদের রানার বা ধাবক বলে, 
যেমন—শুশনি, থানকুনি, আমরুল ইত্যাদির কাণ্ড।


প্রশ্ন:১০
টিউবার বা স্ফীতকন্দ কাকে বলে ?

উত্তর: 
ভূনিম্নস্থ কাণ্ডের কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন শাখাপ্রশাখার অগ্রভাগ যখন স্ফীত ও গোলাকার ধারণ করে এবং পর্ব, পর্বমধ্য, মুকুল ও শল্কপত্র ধারণ করে, তখন সেই প্রকার মৃদগত কাণ্ডকে টিউবার বা স্ফীতকন্দ বলে। আলু এই প্রকারের কাণ্ড।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

রাসায়নিক আবহবিকার

রাসায়নিক আবহবিকার          যে আবহবিকারের মাধ্যমে শিলা গঠনকারী বিভিন্ন খনিজ পদার্থগুলোর ওপর বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদানসমূহ—বিশেষ করে অক্সিজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প প্রভৃতির বিক্রিয়ার ফলে কঠিন শিলা বিয়োজিত হয় এবং মূল খনিজ পদার্থগুলো নতুন গৌণ খনিজে পরিণত হয়ে মূল শিলা শিথিল হয়ে পড়ে, তাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে।         রাসায়নিক আবহবিকার সংঘটনে জল ও জলীয়বাষ্পের ভূমিকা খুব বেশি। তাই উষ্ণ-আর্দ্র নিরক্ষীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি সক্রিয়।  👉 ভূগোলের MCQs, VSQs এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর গুলি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।  👈 রাসায়নিক আবহবিকারকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা— (ক) অঙ্গারযোজন বা কার্বোনেশন,   (খ) জারণ বা অক্সিডেশন,  (গ) জলযোজন বা হাইড্রেশন,  (ঘ) আর্দ্রবিশ্লেষণ বা হাইড্রোলিসিস এবং  (ঙ) দ্রবণ বা সলিউশন।              রাসায়নিক আবহবিকার অপেক্ষাকৃত দ্রুত ও নিঃশব্দে ঘটে। এই প্রকার আবহবিকারের ফলে বক্সাইট, লৌহ-আকরিক, ম্যাঙ্গানিজ, নিকেল, কেওলিন, জিপ...