Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বায়ুমণ্ডল, সেট-৬

বায়ুমণ্ডল


প্রশ্ন:১
বায়ুমণ্ডলের অস্থায়ী বা পরিবর্তনশীল উপাদান বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
গ্যাসীয় উপাদান ছাড়াও বায়ুমণ্ডলে রয়েছে সামান্য পরিমাণ জলীয়বাষ্প এবং কঠিন কণিকাসমূহ, যেমন—সূক্ষ্ম ধূলিকণা, খনিজ লবণকণা, কয়লার গুঁড়াে, ছাই ইত্যাদি। বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরেই এই সকল উপাদানের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। ঋতু, স্থান ও উচ্চতাভেদে এই সকল উপাদানের পরিমাণ ও কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। বায়ুমণ্ডলের সর্বত্র এই ধরনের উপাদান উপস্থিত থাকে না বলে এদের অস্থায়ী উপাদান বলা হয়।


প্রশ্ন:২
বায়ুমণ্ডলের কোন্ কোন্ গ্যাস ওজোনস্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী ?

উত্তর: 
প্রধানত ক্লোরােফ্লুরােকার্বন (CFC) গ্যাস। তা ছাড়া মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড প্রভৃতি গ্যাসও ওজোনস্তর ধ্বংসের জন্য দায়ী।


প্রশ্ন:৩
বায়ুমণ্ডলের কোন্ অংশকে ‘সমতাপ অঞ্চল’ বলা হয় ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলে থার্মোস্ফিয়ার স্তরের ওপরে অর্থাৎ, প্রায় ৫০০ কিমি উচ্চতার ওপরে বায়ুর উষ্ণতা বাড়েও না, কমেও না। বায়ুমণ্ডলের এই অংশে তাপ একই রকম থাকে বলে এই অঞ্চলকে ‘সমতাপ অঞ্চল’ বলে।


প্রশ্ন:৪
বায়ুমণ্ডলের কয়েকটি সক্রিয় গ্যাসের নাম লেখাে৷ 

উত্তর: 
যেসব গ্যাস রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সক্রিয় গ্যাস বলে। বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত এমন কয়েকটি সক্রিয় গ্যাস হল—অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৫
বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরকে ‘ঘনমণ্ডল’ বলে এবং কেন ?

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন ট্রপােস্ফিয়ার স্তরকে ‘ঘনমণ্ডল’ বলে। কারণ—ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুমণ্ডলীয় স্তর হওয়ায় এই স্তরে মাধ্যাকর্ষণের টান বেশি। তাছাড়া সবচেয়ে নীচের স্তর হওয়ায় এই স্তরে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। ভূপৃষ্ঠ থেকে যতই ওপরে ওঠা যায় বায়ুর ঘনত্ব ততই হ্রাস পায়। সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ যেখানে প্রতি ঘনমিটারে ১২০০ গ্রাম সেখানে ৫.৫ কিমি উচ্চতায় বায়ুর ঘনত্ব হয় ৬০০ গ্রাম প্রতি ঘনমিটারে। তাই সর্বাধিক ঘনত্বযুক্ত ট্রপােস্ফিয়ারকেই ‘ঘনমণ্ডল’ বলে।


প্রশ্ন:৬
‘ভ্যান অ্যালেন বিকিরণ বলয়’ কী ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলের থার্মোস্ফিয়ার বা আয়নস্তরে গ্যাসীয় উপাদানগুলি সূর্যরশ্মির প্রভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে এবং স্তরটি তড়িৎ সুপরিবাহী হয়। আয়নস্তরে, ইলেকট্রন ও প্রােটন আয়নগুলির বলয়কে আবিষ্কর্তা বিজ্ঞানী ভ্যান অ্যালেন-এর নামানুসারে, ‘ভ্যান অ্যালেন বিকিরণ বলয়’ বলে।


প্রশ্ন:৭
বায়ুমণ্ডলের কয়েকটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের নাম লেখাে।

উত্তর: 
যেসব গ্যাস রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না তাদের নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে। বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত এমন কয়েকটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস হল—হিলিয়াম, আর্গন, ক্রিপটন, জেনন, নিয়ন ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৮
গ্রিনহাউস প্রভাব কী ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন প্রভৃতি তাপশােষক গ্যাসের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। বায়ুমণ্ডলে এই সকল তাপশােষক গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিনহাউস (Green house) প্রভাব বলে।


প্রশ্ন:৯
বায়ুমণ্ডলের কোন্ স্তরকে ‘হােমােস্ফিয়ার’ বা ‘সমমণ্ডল’ বলে ?

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠ থেকে ৯০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলীয় স্তরে বিভিন্ন গ্যাসের মিশ্রণের অনুপাত একই রকম থাকে। সমবৈশিষ্ট্যযুক্ত এই স্তরকে ‘হােমােস্ফিয়ার’ বা ‘সমমণ্ডল’ বলে।


প্রশ্ন:১০
বায়ুমণ্ডলের স্থায়ী উপাদান বলতে কী বােঝায় ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে শতকরা ৯৯ ভাগ অক্সিজেন (২০.৯৪%), নাইট্রোজেন (৭৮.০৮%) ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (.০৩৩%) নিয়ে গঠিত। এ ছাড়াও হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, আর্গন, নিওন, মিথেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি গ্যাস রয়েছে। উচ্চতা, অঞ্চল, ঋতু ও দিনরাত্রি ভেদে এদের পরিমাণের তারতম্য ঘটলেও বায়ুমণ্ডলের সর্বত্রই এই সকল গ্যাসীয় উপাদানের উপস্থিতি বর্তমান। তাই বায়ুমণ্ডলের স্থায়ী উপাদান বলতে গ্যাসীয় উপাদানকেই বােঝায়।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত