Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 10

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে—   উত্তরঃ  সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন?    উত্তরঃ  ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন?    উত্তরঃ  নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?    উত্তরঃ  রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন?    উত্তরঃ  অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন—   উত্তরঃ  লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন—   উত্তরঃ  রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি?    উত্তরঃ  চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ, সেট-৩

নদী হিমবাহ ও বায়ুর কাজ


প্রশ্ন:১
থর মরু অঞ্চলে সিফ্ বালিয়াড়িগুলি দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বিস্তৃত কেন ?

উত্তর: 
সিফ্ একপ্রকার অনুদৈর্ঘ্য বালিয়াড়ি অর্থাৎ, বালিয়াড়িগুলি বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে গড়ে ওঠে। থর মরু অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্বদিকে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়। স্বাভাবিকভাবেই বালিয়াড়িগুলি বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব রেখা বরাবর গড়ে ওঠে।


প্রশ্ন:২
বালুচর ও মগ্নচড়া পার্থক্য কী ?

উত্তর: 
নদীর সমভূমি প্রবাহে নদীগর্ভে সঞ্চয়ের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হল বালুচর।
উষ্ণ সমুদ্রে হিমশৈলবাহিত নুড়ি, পাথর সঞ্চয়ের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হল মগ্নচড়া।


প্রশ্ন:৩
প্রপাতরেখা কী ?

উত্তর: 
নদীর গতিপথে খাড়া ঢালযুক্ত অংশে জলপ্রপাত গঠিত হয়। যে নির্দিষ্ট রেখা বরাবর একাধিক নদীতে জলপ্রপাত গড়ে ওঠে, তাকে প্রপাতরেখা বলে। সাধারণত চ্যুতিরেখা বরাবরই প্রপাতরেখা গড়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপালেশিয়ান পর্বতের পূর্বঢালে প্রপাতরেখা দেখা যায়।


প্রশ্ন:৪
কার্য অনুসারে নদী প্রবাহকে কী কী ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে ?

উত্তর: 
উৎস থেকে মােহানা পর্যন্ত কাজ অনুসারে আদর্শ নদীকে তিনটি প্রবাহে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা—
(i) উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহ 
(ii) মধ্যপ্রবাহ বা সমভূমি প্রবাহ এবং 
(iii) নিম্নপ্রবাহ বা বদ্বীপ প্রবাহ। 
উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ ক্ষয়কার্য। মধ্যপ্রবাহে বা সমভূমি প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ বহন কার্য ও নিম্ন প্রবাহ বা বদ্বীপ প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ সঞ্চয় কার্য।


প্রশ্ন:৫
মন্থকূপ ও প্রপাতকূপ-এর মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তর: 
নদীগর্ভের নরম শিলাগঠিত অংশে ঘূর্ণনজনিত অবঘর্ষক্ষয়ের ফলে সৃষ্ট গােলাকার হাঁড়ির মতাে, মসৃণ গতগুলিকে মন্থকূপ বা পটহােল বলে। অন্যদিকে, জলপ্রপাতের পাদদেশে পতনশীল জলের তীব্র আঘাতে সৃষ্ট অমসৃণ বৃহদাকার গর্তগুলিকে প্রপাতকূপ বলে।


প্রশ্ন:৬
নদীপ্রবাহ কাকে বলে ? নদীপ্রবাহ কীভাবে পরিমাপ করা হয় ?

উত্তর: 
নির্দিষ্ট সময়ে নদীর মাধ্যমে বাহিত জলের পরিমাণ ও জলের বেগকে একত্রে নদীপ্রবাহ বলে। নদীপ্রবাহ পরিমাপের একক হল—কিউসেক ও কিউমেক। নদীর একটি নির্দিষ্ট অংশ দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যত ঘনফুট জল প্রবাহিত হয় তাকে বলে কিউসেক। ঘনফুটের পরিবর্তে যখন ঘনমিটারে নদীপ্রবাহের হিসেব (মেট্রিক পদ্ধতিতে) করা হয়, তাকে বলে কিউমেক। সুতরাং, নদীর যে-কোনাে গতিতেই কিউসেক ও কিউমেক এককের সাহায্যে নদীপ্রবাহ পরিমাপ করা হয়।


প্রশ্ন:৭
হিমবাহকে ‘বরফের নদী’ নদী বলা যায় কী ?

উত্তর: 
হিমরেখার ওপরে তুষারক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত জমাট বাঁধা বরফ মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে এবং সঞ্চিত বরফের চাপে অত্যন্ত ধীরগতিতে ভূমির ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নামতে থাকে। ধীরগতি সম্পন্ন চলমান বরফের স্তূপকেই হিমবাহ বলে। সুতরাং, হিমবাহকে ‘বরফের নদী’ বলাই যায়।


প্রশ্ন:৮
আদর্শ নদী কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
নদীর প্রবাহপথকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। যথা—
(i) উচ্চগতি বা পার্বত্য প্রবাহ, 
(ii) মধ্যগতি বা সমভূমি প্রবাহ, এবং 
(iii) নিম্নগতি বা বদ্বীপ প্রবাহ। 
যেসব নদীতে এই তিনটি প্রবাহ সুস্পষ্ট এবং তিনটি প্রবাহে নদীর কাজের ফলে গঠিত ভূমিরূপগুলিও সুস্পষ্ট তখন তাদের আদর্শ নদী বলে। 
উদাহরণ—গঙ্গা নদী হল একটি আদর্শ নদী। কারণ—গঙ্গানদীর তিনটি গতিই সুস্পষ্ট।


প্রশ্ন:৯
নদী ও বায়ুর তুলনায় হিমবাহের গতিবেগ ধীর হয় কেন ?

উত্তর: 
নদী হল তরল জলের প্রবাহ এবং বায়ু হল গ্যাসীয় পদার্থের প্রবাহ। নদী ও বায়ু কঠিন পদার্থ নয়, এদের ওজন থাকলেও নির্দিষ্ট কোনাে আকার নেই। তাই এদের ক্ষেত্রে প্রবাহের সময় ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে ঘর্ষণজনিত বাধা কম হয়। তাই গতিবেগ বেশি হয়। অন্যদিকে, হিমবাহ হল কঠিন বরফের প্রবাহ। এর ওজন ও নির্দিষ্ট আকার রয়েছে, আয়তনও বিশাল। স্বাভাবিকভাবেই প্রবাহের সময় ঘর্ষণজনিত বাধা বেশি হওয়ায় নদী বা বায়ুর তুলনায় হিমবাহের গতিবেগ কম হয়।


প্রশ্ন:১০
মগ্নচড়া কী ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
মহাদেশীয় হিমবাহের খণ্ডিত অংশ হিমশৈলরূপে প্রচুর পরিমাণ নুড়ি, পাথর বয়ে আনে। উষ্ণ সমুদ্রে হিমশৈল গলতে শুরু করলে নুড়ি, পাথর সমুদ্রগর্ভে সঞ্চিত হয়। নির্দিষ্ট স্থানে ক্রমাগত সঞ্চয়ের ফলে জলমগ্ন চড়ার সৃষ্টি হয়। একেই মগ্নচড়া বলে। ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের উত্তর-পশ্চিমে গ্র্যান্ড ব্যাংক এরকমই একটি মগ্নচড়া।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ক্ষয়জাত পর্বত

ক্ষয়জাত পর্বত       ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্ষয় কাজের ফলে সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। এইভাবে অনেক সময় শক্ত শিলায় গঠিত জায়গা কম ক্ষয় পেয়ে যখন আশপাশের বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া নরম শিলায় গঠিত জায়গা থেকে আলাদা হয়ে উঁচুতে থেকে যায়, তখন তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। কম ক্ষয় হওয়া অবশিষ্ট অংশ পর্বতে পরিণত হয় বলে একে অবশিষ্ট পর্বত-ও বলা হয়।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

স্তূপ পর্বত

স্তূপ পর্বত             ভূ-আলোড়নজনিত প্রসারণ বলের প্রভাবে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে বিচ্যুত হয়ে ওপরে উঠে যায় বা দুটি ফাটলের মধ্যবর্তী অংশ চাপের ফলে নীচে বসে যায় তখন অপেক্ষাকৃত উঁচু অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। প্রবল ভূ-আলোড়নের ফলে ভূত্বকের বিভিন্ন অংশে চাপের পার্থক্য ঘটে। ফলে শিলায় টান ও সংনমনের সৃষ্টি হয়। টান ও সংনমনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয় এবং ফাটলরেখা বরাবর শিলার এক অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি উল্লম্ব চ্যুতির মাঝের অংশটি নীচে বসে গেলে দু-পাশ ওপরে উঠে আসে। আবার মাঝের অংশটি ওপরে উঠে গেলে দু-পাশ নীচে বসে যায়। তখন ওপরে উঠে আসা অংশকে স্তূপ পর্বত বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যগুলি হল— (১) বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে কোমল পাললিক শিলায় ঢেউ-এর মতো ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। (২) প্রধানত সমুদ্রগর্ভ থেকে সৃষ্টি হয় বলে ভঙ্গিল পর্বতে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৩) ভঙ্গিল পর্বতগুলি সাধারণত পাললিক শিলায় গঠিত হলেও অনেক সময় ভঙ্গিল পর্বতে আগ্নেয় এবং রূপান্তরিত শিলার সহাবস্থান চোখে পড়ে (কারণ—ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় শিলাস্তরে ফাটল সৃষ্টি হলে, সেই ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা লাভারূপে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে যা ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে। এর পর কালক্রমে প্রচণ্ড চাপ ও তাপের ফলে আগ্নেয় শিলা ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয়)

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...