দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে? Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? Α. ৭৮.০৯%. Q. বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? Α. ২০.৯৫%. Q. বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত? Α. ০.৯৩%. Q. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত? Α. ০.০৩%. Q. বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়? Α. ছয়টি. Q. ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত? Α. প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q. উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়? Α. বায়ুর চাপ কমে যায়. Q. ট্রপোপজ কাকে বলে? Α. ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত? Α. ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...
জীবের বৈচিত্রতা
প্রশ্ন:১
প্রিয়ন (Prion) কী ?
উত্তর:
কেবলমাত্র অ্যামাইনাে অ্যাসিড দ্বারা গঠিত প্রােটিননির্মিত, সংক্রমণযােগ্য, বাধ্যতামূলক পরজীবীকে প্রিয়ন বলে। এই অণুজীব ভেড়া এবং ছাগলের স্নায়ুজ রােগ—কুরু এবং স্ক্রেপি এবং মানুষের স্নায়ুজ রােগ ক্রুজফেল্ড—জেকভ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন:২
ভাইরাস ও প্লাসমিডের পার্থক্য কী ?
উত্তর:
(i) ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড প্রােটিন আবরক বা ক্যাপসিড পরিবেষ্টিত থাকে, প্লাসমিডের ক্যাপসিড থাকে না।
(ii) ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড DNA বা RNA জাতীয়, কিন্তু প্লাসমিডের নিউক্লিক অ্যাসিড কেবল DNA জাতীয়।
(iii) পােষক কোশের বাইরে ভাইরাসের অস্তিত্ব বর্তমান, কিন্তু পােষক কোশের বাইরে প্লাসমিডের কোনাে অস্তিত্ব থাকে না।
প্রশ্ন:৩
ক্যাপসিড ও ক্যাপসসামিয়ার কাকে বলে ?
উত্তর:
ভাইরাসের প্রােটিন নির্মিত বাইরের আবরণীকে ক্যাপসিড এবং ক্যাপসিডের একককে ক্যাপসােমিয়ার বলে।
প্রশ্ন:৪
জিমনােকাৰ্পি কী ?
উত্তর:
অ্যাসকোলাইকেনের ফলদেহ চাকতির মতাে হলে তাকে জিমনােকাৰ্পি বলে। উদাহরণ—Parmelia।
প্রশ্ন:৫
ব্যাকটেরিওফাজকে উপকারী ভাইরাস বলা হয় কেন ?
উত্তর:
ব্যাকটেরিওফাজ বিভিন্ন রােগসৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াদের ধ্বংস করে পরােক্ষভাবে মানুষের উপকার করে, তাই এদের উপকারী ভাইরাস বলা হয়। যথা—টাইফায়েড, কলেরা জীবাণু ধ্বংসকারী ফাজ ভাইরাস।
প্রশ্ন:৬
ভাইরাস জীব না জড় ?
উত্তর:
ভাইরাসের দেহে নিউক্লিক অ্যাসিড বর্তমান, ভাইরাস পােষক দেহে বংশবিস্তারে সক্ষম তাই ভাইরাসকে জীব বলে। ভাইরাসের দেহে জীব ও জড়ের উভয় বৈশিষ্ট্য থাকায় অনেকে ভাইরাসকে জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের বস্তু বলে থাকেন কিন্তু বর্তমান বিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে কোশবিহীন জীব বলেন।
প্রশ্ন:৭
ভিরুলেন্ট দশা কাকে বলে ?
উত্তর:
ব্যাকটেরিওফাজের DNA, ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে প্রবেশের পর দ্রুত অগণিত প্রতিলিপি গঠন শুরু করে এবং ব্যাকটেরিয়া কোশের বিদারণ ঘটিয়ে অপত্য ফাজ বেরিয়ে আসে, অর্থাৎ লাইটিক চক্র সম্পন্ন হয়। এরূপ দশাকে ব্যাকটেরিওফাজের ভিরুলেন্ট দশা বলে।
প্রশ্ন:৮
বাইনাল ভাইরাস কী ?
উত্তর:
যে সকল ভাইরাসের দু-প্রকারের প্রতিসাম্যতা থাকে, তাদের বাইনাল ভাইরাস বলে। যেমন—T2-ব্যাকটেরিওফাজের মস্তক অংশটি বহুভুজাকার এবং দণ্ডাকার পুচ্ছটি সর্পিলাকার প্রতিসম।
প্রশ্ন:৯
ভাইরুসয়েড (Virusoid) কী ?
উত্তর:
ভাইরয়েডের মতাে ক্যাপসিডবিহীন, ক্ষুদ্র গােলাকার RNA অণু যার আবরণী প্রােটিন সংশ্লেষের নিজস্ব জিন-সংকেত থাকে না, ফলে কোনাে হেলপার ভাইরাসের সহায়তার আবরণী প্রােটিন সংশ্লেষ ও বংশবিস্তার করে, তাকে ভাইরুসয়েড বলে। যথা— হেপাটাইটিস ডেল্টা ভাইরাস (HDV)।
প্রশ্ন:১০
ভাইরাস ও প্লাসমিডের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। বর্তমানে প্লাসমিড নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কারণ উল্লেখ করাে।
উত্তর:
ভাইরাস হল নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA অথবা RNA) এবং ক্যাপসিড নিয়ে গঠিত অকোশীয়, জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়ের একপ্রকার বস্তু। অপরপক্ষে, প্লাসমিড হল ব্যাকটেরিয়া কোশে অবস্থানকারী চক্রাকার স্বাধীন DNA, যার বংশগতিতে কোনাে ভূমিকা থাকে না। বর্তমানে প্লাসমিডের সাহায্যে রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করে আকাঙ্ক্ষিত জিন উৎপাদন করা হয়।

Comments
Post a Comment