Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর। ভূগোল, সেট-৪

ভূগোল


প্রশ্ন:১
Global worming কি ?

উত্তর: 
Green house গ্যাস গুলাে অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে (যেমন CFC, CO2) পৃথিবীর গড় মাত্রা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত এই ভয়ঙ্কর অবস্থাকে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন Global Worming।


প্রশ্ন:২
পরিবহনের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর: 
যাত্রী ও মালপত্র চলাচলের মাধ্যমকে তথা একস্থান থেকে অন্যস্থানে মানুষ ও বহনের মাধ্যমকে পরিবহন বলে। যা গতিশীল পৃথিবীতে বসবাসকারী মানুষের জীবনী শক্তিকে সঞ্চালিত করে। মার্সালের মতে–পরিবহন শিল্প কেবলমাত্র মানুষের চলাচল এবং একস্থান থেকে অন্যস্থানে পণ্য সামগ্রী পরিবহন ব্যবস্থাই করে না। পরিবহন মানুষের উন্নত সভ্যতার প্রতি পদক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী ও দায়িত্বও পালন করে।


প্রশ্ন:৩
অর্থনৈতিক ক্রিয়া কলাপ কাকে বলে ?

উত্তর: 
জীবিকা নির্বাহের জন্য যেসব ক্রিয়া কলাপের দ্বারা মানুষ বিভিন্ন বৃত্তির মাধ্যমে আয় করে আর্থসামাজিক দায়-দায়িত্ব পালন করে নিজের বৈষয়িক এবং দেশের বা অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নতিতে অংশগ্রহণ করে,তাকে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বলে। 
যেমন—চাষ-আবাদ, মৎস্য আহরণ, খনিজ সম্পদ সংগ্রহ, শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য প্রভৃতি হল অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ, যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যাবলী দ্বারা উৎপাদক সূচিত হয় বলে এদের উৎপাদক মূলক কার্যাবলীও বলে।


প্রশ্ন:৪
কৃষির সংজ্ঞা দাও ?

উত্তর: 
সংস্কৃত ‘কৃষ’ ধাতু থেকে কৃষি শব্দটি এসেছে—যার অর্থ কর্ষন করা বা চাষ করা। আবার Agri-এর অর্থ ক্ষেত্র এবং Culture-এর অর্থ পরিচর্যা করা। সুতরাং Agri-culture কথার অর্থ ভূমি কর্ষণ করা, চাষ করা। 
অধ্যাপক জিমারম্যানের মতে—উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের জন্ম ও বৃদ্ধির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার সুযােগ নিয়ে মানুষ স্থায়ীভাবে নিজের চাহিদা মেটানোর উদ্দেশ্যে যে উদ্ভিদসমূহ ও প্রাণীজ দ্রব্য উৎপাদন করার চেষ্টা করে তাকেই বলে কৃষিকাজ। সুতরাং বলা যেতে পারে কৃষিকাজ বলতে কেবলমাত্র কৃষিজ ফসল উৎপাদনকেই বোঝায় না তার সঙ্গে প্রাণিজ সম্পদ উৎপাদনকেও বােঝানাে হয়ে থাকে।


প্রশ্ন:৫
ইন্টারনেট কি ?

উত্তর: 
সারা পৃথিবীর সমস্ত কম্পিউটারকে মডেলের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে এক সূত্রে যুক্ত করার নামই হল ইন্টারনেট। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হয়, তারই সমন্বয়কে ইন্টারনেটওয়ার্ক বা সংক্ষেপে ইন্টারনেট বলে। ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে ই-মেইল এর মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি যে কোনাে স্থানে বার্তা, সংবাদ, চিঠিপত্র, তথ্য ইত্যাদি প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে।


প্রশ্ন:৬
তৃতীয়-পর্যায়ের কার্যাবলী বলতে কি বােঝ ?

উত্তর: 
মানুষের এবং সমাজের অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে সম্পদের উৎপাদন এবং বন্টন মূলক নানাবিধ কার্যকলাপ সম্পন্ন করার জন্য যে সব সহায়ক ক্রিয়া কলাপ অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয় তাকে তৃতীয় স্তরের কার্যকলাপ বা পরিষেবামূলক কার্যকলাপ বলে।
আধুনিক যুগে পরিষেবা মূলক কার্যকলাপের গুরুত্ব অপরিসীম, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাঙ্ক ও বিমা ব্যবস্থা, পণ্য মজুত ও সংরক্ষণ ইত্যাদি পরিষেবা মূলক কার্যাবলী।


প্রশ্ন:৭
জন অভিক্ষেপ কি ?

উত্তর: 
বর্তমান জনবৃদ্ধির গতি প্রকৃতি লক্ষ্য করে ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা সম্পর্কে পূর্বানুমানকে জন-অভিক্ষেপ বলে।


প্রশ্ন:৮
সহায়ক ক্রিয়া কলাপ কাকে বলে ?

উত্তর: 
প্রাথমিক ক্রিয়াকলাপের ফলে সংগৃহীত বিভিন্ন উপকরণের আকৃতি ও গঠনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে যে অধিক উপযােগী ও মূল্যবান ভােগ্যপণ্য প্রস্তুত করা হয় সেই সংশ্লিষ্ট ক্রিয়া কলাপকে সহায়ক ক্রিয়াকলাপ বলে। যেমন-শিল্প।


প্রশ্ন:৯
আন্তকৃষি কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে সব দেশে কৃষি জমির তুলনায় জনসংখ্যার চাপ খুবই বেশি সেখানে প্রত্যাবর্তন কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে সঙ্গে সম্প্রতি আরও একটি কৃষি ব্যবস্থার প্রচলন হয়েছে। এই পদ্ধতিতে একই কৃষিক্ষেত্রে একই সময়ে বিভিন্ন সারিতে ভিন্ন ভিন্ন ফসলের চাষ করা হয়, যাদের পাকার সময় আলাদা আলাদা। এর ফলে একই জমি থেকে সারা বছর ধরে কিছু না কিছু ফসল পাওয়া যায়। ফসল উৎপাদনের এই অভিনব পদ্ধতিকে আন্তকৃষি বলে।


প্রশ্ন:১০
Full form লেখ— S.M.S, PI.N.

উত্তর: 
S.M.S—Short Messaging System.
P.I.N—Postal Index Number.





✸✸✸


✸✸✸





 

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...