ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
ভারতের শিল্পসমূহ
প্রশ্ন:১
ভারতীয় পাটজাত দ্রব্য কোন্ কোন্ দেশে রপ্তানি হয় ?
ভারতীয় পাটজাত দ্রব্য কোন্ কোন্ দেশে রপ্তানি হয় ?
উত্তর:
ভারতীয় পাটজাত দ্রব্য প্রধানত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে রপ্তানি করা হয়।
প্রশ্ন:২
অনুসারী শিল্প কাকে বলে ?
উত্তর:
প্রশ্ন:২
অনুসারী শিল্প কাকে বলে ?
উত্তর:
পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের আশেপাশে ওই শিল্পের উৎপন্ন দ্রব্যের ভিত্তিতে বা ওই শিল্পে প্রয়ােজনীয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্রব্য সরবরাহের জন্য যে অসংখ্য ছােটো ছােটো শিল্প গড়ে ওঠে, তাকে অনুসারী শিল্প (Downstream Industry) বলে। মূল শিল্পের আশেপাশে কৃত্রিমতন্তু, রবার, প্লাস্টিক, পলিথিন, সার, কীটনাশক প্রভৃতি বহু অনুসারী শিল্প গড়ে ওঠে।
প্রশ্ন:৩
পলিমার ও ইলাস্টোমার কী ?
প্রশ্ন:৩
পলিমার ও ইলাস্টোমার কী ?
উত্তর:
প্লাস্টিক, পলিথিন ও পলিপ্রােপিলিন উৎপাদনের প্রধান উপাদান হল—পলিমার এবং কৃত্রিম রাবার উৎপাদনের প্রধান উপাদান হল—ইলাস্টোমার।
প্রশ্ন:৪
লৌহ-ইস্পাত শিল্পে ম্যাঙ্গানিজের প্রয়ােজন হয় কেন ?
প্রশ্ন:৪
লৌহ-ইস্পাত শিল্পে ম্যাঙ্গানিজের প্রয়ােজন হয় কেন ?
উত্তর:
প্রধানত দুটি কারণে লৌহ-ইস্পাত শিল্পে ম্যাঙ্গানিজ ব্যবহৃত হয়—
(১) কাঁচা লােহাকে শােধন করে ইস্পাত তৈরির সময় ম্যাঙ্গানিজ ব্যবহৃত হয়। ম্যাঙ্গানিজ ব্যবহারের ফলে ইস্পাত আরও কঠিন ও দৃঢ় হয় এবং ক্ষয় প্রতিরােধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
(২) সংকর ইস্পাত তৈরি করতেও ম্যাঙ্গানিজ ব্যবহৃত হয়। যেমন—ম্যাঙ্গানিজ স্টিল, কার্বন স্টিল, ক্রোমিয়াম স্টিল তৈরি করার সময় কম বেশি পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজের প্রয়ােজন হয়।
প্রশ্ন:৫
ভারতে তাঁতশিল্পের প্রধান চারটি কেন্দ্রের নাম লেখাে।
প্রশ্ন:৫
ভারতে তাঁতশিল্পের প্রধান চারটি কেন্দ্রের নাম লেখাে।
উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু রাজ্যে তাঁতশিল্প উন্নতি লাভ করেছে।
পশ্চিমবঙ্গের
(ক) ধনেখালি,
(খ) শান্তিপুর,
(গ) ফরাসডাঙা এবং
(ঘ) ফুলিয়া তাঁতশিল্পের প্রধান চারটি কেন্দ্র।
প্রশ্ন:৬
দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রুঢ়’ বলা হয় কেন ?
প্রশ্ন:৬
দুর্গাপুরকে ‘ভারতের রুঢ়’ বলা হয় কেন ?
উত্তর:
জার্মানির রাইন নদীর একটি উপনদী হল রুঢ়। এই রুঢ় অববাহিকা অঞ্চলে প্রচুর উন্নত মানের কয়লা পাওয়া যায়। স্থানীয় কয়লা সম্পদকে কেন্দ্র করে রুঢ়-শিল্পাঞ্চলে লৌহ-ইস্পাত শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প ও রাসায়নিক শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে। তেমনি ভারতের দামােদর নদী উপত্যকার রানিগঞ্জ, অন্ডাল প্রভৃতি কয়লাখনিকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরে লৌহ-ইস্পাত শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং ও সিমেন্ট শিল্পের কারখানা গড়ে উঠেছে। এইজন্য দুর্গাপুরকে জার্মানির রুঢ় শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে তুলনা করে ‘ভারতের রুঢ়’ বলা হয়।
প্রশ্ন:৭
ভারতীয় কার্পাস বস্ত্র কোন্ কোন্ দেশে রপ্তানি হয় ?
প্রশ্ন:৭
ভারতীয় কার্পাস বস্ত্র কোন্ কোন্ দেশে রপ্তানি হয় ?
উত্তর:
ভারতীয় কার্পাস বস্ত্র এশিয়ার শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, কাম্পুচিয়া, ইরাক এবং ইউরােপের জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ড প্রভৃতি দেশে রপ্তানি হয়।
প্রশ্ন:৮
লৌহ-ইস্পাত শিল্পের জন্য কী কী কাঁচামালের প্রয়ােজন হয় ?
প্রশ্ন:৮
লৌহ-ইস্পাত শিল্পের জন্য কী কী কাঁচামালের প্রয়ােজন হয় ?
উত্তর:
লৌহ-ইস্পাত শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচামালগুলি হল— লৌহ আকরিক, কোক কয়লা, চুনাপাথর, ম্যাঙ্গানিজ, ডলােমাইট, টাংস্টেন, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট, নিকেল, সিসা, ভ্যানাডিয়াম, টিন, বালি, বায়ু ও জল। এইসব কাঁচামালগুলির মধ্যে কয়লা জ্বালানি হিসেবে, চুনাপাথর ও ডলােমাইট পরিশােধকরূপে ও ম্যাঙ্গানিজ, ক্রোমিয়াম, টাংস্টেন, নিকেল প্রভৃতি সংকর ধাতু হিসেবে লৌহ-ইস্পাত শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন:৯
ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বলতে কী বােঝাে ?
প্রশ্ন:৯
ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বলতে কী বােঝাে ?
উত্তর:
যে শিল্পে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে লৌহ-ইস্পাত এবং তৎসহ অপ্রধান কাঁচামাল হিসেবে তামা, দস্তা, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি ধাতব পদার্থ এবং প্লাস্টিক, রবার, পিভিসি প্রভৃতি অধাতব পদার্থ ব্যবহার করে ছােটো-বড়াে শিল্পের প্রয়ােজনীয় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ নির্মিত হয় তাকেই ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প বলে।
প্রশ্ন:১০
ভারতের কোথায় প্রথম পেট্রো-রাসায়নিক শিল্পকেন্দ্র স্থাপিত হয় ?
প্রশ্ন:১০
ভারতের কোথায় প্রথম পেট্রো-রাসায়নিক শিল্পকেন্দ্র স্থাপিত হয় ?
উত্তর:
পশ্চিম ভারতের ট্রম্বেতে, ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে ইউনিয়ন কার্বাইড লিমিটেডের পরিচালনায় ভারতের প্রথম পেট্রো-রাসায়নিক শিল্পকেন্দ্র স্থাপিত হয়।

Comments
Post a Comment