Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

আঞ্চলিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা সেট-২

ভারতের ভূপ্রকৃতি, নদনদী, জলবায়ু, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ও মৃত্তিকা

প্রশ্ন:১
ভুর কী ?

উত্তর: 

উচ্চ গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলে, দোয়াব সমভূমির মধ্যে ছােটো ছােটো বালিয়াড়ি দেখা যায়। স্থানীয় ভাষায় বালিয়াড়িগুলি ভুর নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:২
শিবালিক পর্বতশ্রেণির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তর: 

হিমালয় পর্বতমালার দক্ষিণ প্রান্তে এবং উত্তর ভারতের সমভূমির উত্তর প্রান্তে একাধিক ছােটো ছােটো পর্বত পশ্চিম থেকে পূর্বে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করছে। এদের একত্রে শিবালিক পর্বতশ্রেণি বা বহিঃহিমালয় বলে। এই পর্বতশ্রেণি ১০-৫০ কিমি প্রশস্ত এবং এর গড় উচ্চতা ৬০০-১৫০০ মিটার। শিবালিক দক্ষিণে খাড়া ঢালযুক্ত, এবং উত্তরে মৃদু ঢালযুক্ত হয়ে প্রশস্ত উপত্যকায় মিলিত হয়েছে। উপত্যকাগুলি ‘দুন’ নামে পরিচিত। হিমালয় গঠনের শেষ পর্যায়ে এই পর্বতশ্রেণির উৎপত্তি হয়েছে।


প্রশ্ন:৩
ভারতের বৃহত্তম দ্বীপপুঞ্জ কোনটি ? এটি কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর: 

ভারতের বৃহত্তম দ্বীপপুঞ্জ হল—আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ। এটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।


প্রশ্ন:৪
দণ্ডকারণ্য বলতে কোন্ অঞ্চলকে বােঝায় ?

উত্তর: 

মহানদী অববাহিকার দক্ষিণে, ওড়িশা ও ছত্তিশগড় রাজ্যে ৫০০-৯০০ মিটার গড় উচ্চতাযুক্ত উচ্চভূমি দন্ডকারণ্য নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:৫
পূর্বাচল বলতে কোন্ অঞ্চলকে বােঝায় ?

উত্তর: 

ভারতের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম প্রভৃতি রাজ্যে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত সমান্তরাল ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণি দেখা যায়। এই পার্বত্য অঞ্চলকে একত্রে পূর্বের পাহাড় বা পূর্বাঞ্চল বা পূর্বাচল বলা হয়।


প্রশ্ন:৬
ভারতের উত্তরের সমভূমি কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে ?

উত্তর: 

ভূবিজ্ঞানীদের মতে, হিমালয় পর্বত সৃষ্টির সময় ভারতীয় পাতের সঙ্গে ইউরেশীয় পাতের সংঘর্ষ ঘটে। এর ফলে যে চাপের সৃষ্টি হয়, তার জন্য ভারতীয় পাতের উত্তরাংশ বসে গিয়ে হিমালয়ের ঠিক দক্ষিণে অর্ধবক্ৰ উপত্যকা গঠিত হয়। পরবর্তীকালে হিমালয়ের ক্ষয়ীভূত পলিরাশি নদী দ্বারা বাহিত হয়ে ওই নীচু স্থান ভরাট করে সমভূমি গঠন করে। এই সমভূমির পলির গভীরতা হিমালয়ের নিকটবর্তী স্থানে ৭০০০-৮০০০ মিটার এবং দাক্ষিণাত্যের নিকটবর্তী স্থানে প্রায় ১৫০০-২০০০ মিটার।


প্রশ্ন:৭
সােডা সমভূমি কী ?

উত্তর: 

কারাকোরাম পর্বতশ্রেণির পূর্বে ও আকসাই চিন অঞ্চলের উত্তরে অবস্থিত উচ্চ সমভূমি অঞ্চল সোডা সমভূমি নামে পরিচিত। অঞ্চলটি একটি পর্বতবেষ্টিত সমভূমি।


প্রশ্ন:৮
হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলের একটি করে উষ্ণ ও শীতল প্রস্রবণের নাম লেখাে।

উত্তর: 

হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অসংখ্য উষ্ণ ও শীতল প্রস্রবণ গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য একটি উষ্ণ প্রস্রহণ হল—ভেরনাগ (কাশ্মীর) এবং একটি শীতল প্রস্রবণ হল সহস্রধারা (দেরাদুন—উত্তরাঞ্চল)।


প্রশ্ন:৯
তরাই অঞ্চল কাকে বলে ?

উত্তর: 

পশ্চিম ও মধ্য হিমালয়ের পাদদেশে অর্থাৎ, ভাবর অঞ্চলের দক্ষিণদিকে নদী দ্বারা বাহিত নুড়ি, কাঁকর, বালি, পলি, প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে যে বিস্তীর্ণ জলময় সমভূমির সৃষ্টি করে তাকে তরাই অঞ্চল বলে। পশ্চিমবঙ্গে ও অসমে তরাই ডুয়ার্স অঞ্চল নামে পরিচিত।


প্রশ্ন:১০
পাঞ্জাব সমভূমি বলতে কী বােঝাে ?

উত্তর: 

ইরাবতী, বিপাশা, শতদ্রু ও ঘর্ঘরা নদীর পলি সঞ্জয়ের ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতে যে সমভূমি গড়ে উঠেছে তাকে পাঞ্জাব সমভূমি বলে। প্রধানত পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্য জুড়ে এই সমভূমি অবস্থিত। সমগ্র সমভূমিটি দক্ষিণ-পশ্চিমে সিন্ধু সমভূমির দিকে ঢালু। এখানকার গড় উচ্চতা ২০০-২৫০ মিটার এবং আয়তন প্রায় ৯৫,৭১৪ বর্গকিমি। সমভূমির যে অংশ নবীন পলি দ্বারা গঠিত তাকে বেট, ও প্রাচীন পলি দ্বারা গঠিত অংশকে ভাঙর বলে।

 


Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য

  স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ুর মধ্যে পার্থক্য Sl. No. স্থলবায়ু সমুদ্রবায়ু 1 স্থলবায়ু মূলত শীতল ও শুষ্ক প্রকৃতির হয়। সমুদ্রবায়ু মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির হয়। 2 স্থলবায়ু প্রধানত রাত্রিবেলায় প্রবাহিত হয়। সমুদ্রবায়ু প্রধানত দিনেরবেলায় প্রবাহিত হয়। 3 সূর্যাস্তের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুর প্রবাহ শুরু হয় ও রাত্রির শেষদিকে বায়ুপ্রবাহের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়ে এই বায়ুরপ্রবাহ শুরু হয় ও অপরাহ্নে বায়ুপ্রবাহে বেগ বৃদ্ধি পায়। 4 স্থলবায়ু উচ্চচাযুক্ত স্থলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে স্থলবায়ুকে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। সমুদ্রবায়ু উচ্চচাপযুক্ত সমুদ্র থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। এই কারণে সমুদ্রবায়ুকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে তুলনা করা হয়। 5 স্থলভাগের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবার দরুন বেগ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে দীর্ঘপথ প্রবাহিত হ...

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান।।

সমাজসংস্কাররূপে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান             হুগলি জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৭৭৪ খ্রি.) জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ তাঁকে ভারত পথিক বলে সম্মান জানিয়েছেন। ভারতের ধর্ম ও সমাজ সংস্কারের কাজে তাঁর নিরলস সাধনার কারণে তাঁকে আধুনিক ভারতের জনক বলে অভিহিত করা হয়। ড. বিপানচন্দ্রের মতে—“উনিশ শতকের প্রথম লগ্নে ভারতীয় আকাশে রামমোহন রায় উজ্জ্বলতম নক্ষত্ররূপে ভাস্বর ছিলেন”।

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-বারিমণ্ডল, সেট-৩

বারিমণ্ডল প্রশ্ন:১ উষ্ণ স্রোত কীভাবে জলবায়ুকে প্রভাবিত করে ? উত্তর:  নিম্ন অক্ষাংশ থেকে প্রবাহিত উষ্ণ স্রোত উচ্চ অক্ষাংশের শীতল অঞ্চলে সমুদ্রজলের উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। উষ্ণ স্রোত যে উপকূলে প্রবাহিত হয় সেখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। কারণ—উষ্ণ স্রোতের উপরের বাতাস উষ্ণ ও আর্দ্র প্রকৃতির। উষ্ণ স্রোত নিরক্ষীয় অঞ্চল ও মেরু অঞ্চলের সমুদ্রের জলে উষ্ণতার সমতা বিধানে সাহায্য করে। তাছাড়া উষ্ণ স্রোত সংলগ্ন উপকূলের উষ্ণতাও বৃদ্ধি করে।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য

  আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন মধ্যে পার্থক্য Sl. No. আবহবিকার ক্ষয়ীভবন 1 আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, জলীয় বাষ্প, তুষারপাত ও বিভিন্ন গ্যাসীয় উপাদান দ্বার শিলাসমূহের চূর্ণবিচূর্ণ হওয়া বা বিয়োজনকে আবহবিকার বলে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি, যেমন—নদী, বায়ু, হিমবাহ, ইত্যাদি দ্বারা আবহবিকারপ্রাপ্ত চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহের অপসারণকে ক্ষয়ীভবন বলে। 2 আবহবিকারের ফলে মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের (গঠন, আকৃতি, খনিজের আণবিক সজ্জা প্রভৃতি) পরিবর্তন ঘটে । ক্ষয়ীভবনের ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয়। কিন্তু মূল শিলার বৈশিষ্ট্যের কোনো পরিবর্তন সাধন হয় না। 3 আবহবিকার কোনোভাবে ক্ষয়ীভবনের ওপর নির্ভরশীল নয়। ক্ষয়ীভবন সম্পূর্ণরূপে আবহবিকারের ওপর নির্ভরশীল। আবহবিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে না। 4 আবহবিকারের ফলে চূর্ণবিচূর্ণ শিলাসমূহ শিলাস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে। ক্ষয়ীভবনের ফলে আবহবিকার প্রাপ্ত শিলাচূর্ণ স্থানান্তরি...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।