বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান
প্রশ্ন:১
হিমােলিম্ফ কী ?
উত্তর:
আরশােলার বর্ণহীন রঞ্জককে হিমােলিল্ফ বলে।
প্রশ্ন:২
কংগ্লোবেট গ্রন্থি কী ?
প্রশ্ন:২
কংগ্লোবেট গ্রন্থি কী ?
উত্তর:
ক্ষেপন নালির অঙ্কীয় তলে একটি লম্বা চ্যাপটা থলির মতাে গ্রন্থি থাকে, যাকে কংগ্লোবেট গ্রন্থি বা ফ্যালিক গ্রন্থি বলে। এই গ্রন্থির শেষ অংশ ক্রমশ সরু হয়ে জনন প্রকোষ্ঠে উন্মুক্ত হয়। এই গ্রন্থি নিঃসৃত রস স্পার্মাটোফোরের বহিরাবরণ গঠন করে।
প্রশ্ন:৩
আরশােলার হৃৎপিণ্ডে কটি প্রকোষ্ঠ আছে, তারা কোথায় অবস্থিত ?
প্রশ্ন:৩
আরশােলার হৃৎপিণ্ডে কটি প্রকোষ্ঠ আছে, তারা কোথায় অবস্থিত ?
উত্তর:
আরশােলার হৃৎপিণ্ডে 13 টি প্রকোষ্ঠ। এদের মধ্যে তিনটি বক্ষদেশে এবং 10 টি উদরে অবস্থিত।
প্রশ্ন:৪
অস্টিয়া কী ?
প্রশ্ন:৪
অস্টিয়া কী ?
উত্তর:
আরশােলার হৃৎপিণ্ডের প্রতিটি প্রকোষ্ঠে যে একজোড়া করে ছিদ্র থাকে, যাদের মাধ্যমে রক্ত পেরিকার্ডিয়াল গহ্বর থেকে হৃৎপিণ্ডে প্রবেশ করে, তাদের অস্টিয়া বলে।
প্রশ্ন:৫
ম্যালপিজিয়ান নালিকা কী ?
প্রশ্ন:৫
ম্যালপিজিয়ান নালিকা কী ?
উত্তর:
মধ্য ও পশ্চাদ পৌষ্টিক নালির সংযােগস্থলে যে অংশে (60-80টি) সূক্ষ্ম চুলের মতাে নালি থাকে তাদের ম্যালপিজিয়ান নালিকা বলে। এই নালিগুলি হিমােসিল থেকে রেচন বস্তু শােষণ করে পৌষ্টিক নালির গহ্বরে নিঃক্ষেপ করে।
প্রশ্ন:৬
মাশরুম গ্রন্থি কী ?
প্রশ্ন:৬
মাশরুম গ্রন্থি কী ?
উত্তর:
আরশােলার পুংজনন তন্ত্রে শুক্রথলির বহিঃপ্রাচীরের সঙ্গে সংলগ্ন অসংখ্য লম্বা সূত্রাকার বদ্ধ নালিকা বা গ্রন্থি যাদের একত্রে ছাতার মতাে দেখায়, এদের মাশরুম গ্রন্থি বলে। এই গ্রন্থির ক্ষরণ শুক্রাণুর বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন:৭
হিমােসাইট কী ?
প্রশ্ন:৭
হিমােসাইট কী ?
উত্তর:
আরশােলার বর্ণহীন রক্তকণিকাকে হিমােসাইট বলে।
প্রশ্ন:৮
নেফ্রোসাইট কী ?
প্রশ্ন:৮
নেফ্রোসাইট কী ?
উত্তর:
আরশােলার দেহগহ্বরে পৃষ্ঠীয় প্রাচীরের সঙ্গে সংলগ্ন যে বৃহৎ রংবিহীন, ডিম্বাকার দ্বি-নিউক্লিয়াস যুক্ত কোশ থাকে তাদের নেফ্রোসাইট বলে। এগুলি রেচন কাজের সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করা হয়।
প্রশ্ন:৯
অ্যালারি পেশি কী ?
প্রশ্ন:৯
অ্যালারি পেশি কী ?
উত্তর:
আরশােলার হৃৎপিণ্ডের দু-পাশে অবস্থিত যে সংকোচনশীল পেশি হৃৎপিণ্ডকে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে সাহায্য করে তাদের অ্যালারি পেশি বলে। এরা সংখ্যায় 12 জোড়া।
প্রশ্ন:১০
আরশােলার লালাযন্ত্রের অংশগুলি কী কী ?
প্রশ্ন:১০
আরশােলার লালাযন্ত্রের অংশগুলি কী কী ?
উত্তর:
আরশােলার লালাযন্ত্র এক জোড়া লালাধার এবং একজোড়া লালা গ্রন্থি নিয়ে গঠিত। লালাগ্রন্থি থেকে লালা ক্ষরিত হয় এবং লালাধারে লালা সঞ্চিত হয়।

Comments
Post a Comment