Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর। ভূগোল, সেট-২

ভূগোল


প্রশ্ন:১
মৃত্তিকার পরিলেখ বা Soil Profile কাকে বলে ?

উত্তর: 
"Profile is a vertical section of soil from surface to parent material". অর্থাৎ মৃত্তিকার উপুর্যপুরি উল্লম্ব প্রস্থচ্ছেদকে মৃত্তিকা পরিলেখ বা Soil Profile বলে। এই স্তরগুলি প্রত্যেকে আলাদা হলেও রাসায়নিক ও ভৌত উপাদানগত দিক থেকে একে অন্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। পরিলেখ মাটির একমাত্রিক অবস্থা নির্দেশ করে। 


প্রশ্ন:২
জরায়ুজ অঙ্কুরােদগম কাকে বলে ?

উত্তর: 
লবণাম্বু উদ্ভিদের ফল হালকা হয়। তাই অনেক সময় অনেক উদ্ভিদের বীজ মাটিতে পড়ার আগেই অঙ্কুরােদগম হয়ে যায়, এই ধরনের অঙ্কুরােদগমকে জরায়ুজ অঙ্কুরােদগম বলে।


প্রশ্ন:৩
জীবমণ্ডল কাকে বলে ?

উত্তর: 
পৃথিবীর জল, স্থল, অন্তরীক্ষ অবস্থিত জীবসমূহ দিয়ে গঠিত স্তরকে জীবমণ্ডল বলা হয়। অর্থাৎ বায়ু, মাটি ও জলের যে অংশে জীবের বাসস্থান উপযােগী পরিবেশ পাওয়া যায়, তাকে জীবমণ্ডল বলে। গ্রীক শব্দ ‘Bios' এর অর্থ হল ‘জীবন’ এবং Sphere এর অর্থ হল ক্রিয়াশীল অঞ্চল বা ক্রিয়াশীল তার স্বাভাবিক অঞ্চল। সুতরাং বায়ােস্ফিয়ার বা জীবমণ্ডল হল পৃথিবীর জীবের অস্তিত্বের এক ক্রিয়াশীল অঞ্চল। 
প্রকৃতি অনুসারে জীবমণ্ডল তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত। যথা—
(i) বারিজীবমণ্ডল, 
(ii) অশ্বজীবমণ্ডল, 
(iii) বায়ুজীবমণ্ডল।


প্রশ্ন:৪
অর্বুদ কি ?

উত্তর: 
মটরগাছ স্থলভাগের বিরুৎ জাতীয় মধ্যবর্তী উদ্ভিদ। এরা খাড়াভাবে মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। কারণ এর কাণ্ড নরম। আরােহন এই গাছের অভিযােজনের একটি উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য। এই গাছের মূলে ছােট গােলাকার উপবৃদ্ধি সৃষ্টি হয়, একে অর্বুদ বলে।


প্রশ্ন:৫
খাদ্যস্তর বা Tropic Level কাকে বলে ?

উত্তর: 
কোনাে বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক ও খাদক উভয়েই বিভিন্ন খাদ্যগােষ্ঠীতে বিভক্ত থাকে এই খাদ্যগােষ্ঠীর এক একটি ভাগকে খাদ্যস্তর বলে। খাদ্যস্তর হল পুষ্টিস্তর। খাদ্যখাদক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিভিন্ন খাদ্যস্তর গঠিত হয়। অন্যভাবে বলা যায়, কোনাে বাস্তুতন্ত্রের খাদ্য-শৃঙ্খলের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পুষ্টির ক্রমপর্যায় অনুসারে প্রতিটি স্তরই হল পুষ্টিস্তর বা খাদ্যস্তর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গ্রীকশব্দ 'Trogh' কথাটির অর্থ হল খাদ্যের জোগান সুতরাং Tropic Level বলতে বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যের জোগান সংক্রান্ত স্তরকে বােঝায়। খাদ্য খাদক সম্পর্কের ভিত্তিতে খাদ্য-শৃঙ্খল গঠিত হয়।


প্রশ্ন:৬
আলােকপর্ব কাকে বলে ?

উত্তর: 
দিনের বেলায় যতটা সময় উদ্ভিদ স্বল্প সূর্যালােক পায়, তাকে উদ্ভিদের আলােক পর্ব বলা যায়। আলােকপর্বের তারতম্য অনুসারে উদ্ভিদের তিনভাগে ভাগ করা যায়, যথা—
(i) ক্ষুদ্র আলােকপর্ব উদ্ভিদ 
(ii) দীর্ঘ আলােকপর্ব উদ্ভিদ 
(iii) আলােকপর্ব নিরপেক্ষ উদ্ভিদ।


প্রশ্ন:৭
জীবভর (Biomass) কী ?

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠের কোন নির্দিষ্ট অঞ্চলের নির্দিষ্ট প্রজাতির সজীব পদার্থের যে শুষ্কভর তাকে জীবভর বলে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে ভূপৃষ্ঠের কোন নির্দিষ্ট অঞ্চলের কোন নির্দিষ্ট প্রজাতির জীবের সংখ্যা বা পরিমাণকে জীবভর বা Biomass বলে। বাস্তুতন্ত্রের সবুজ উদ্ভিদ বা উৎপাদকের জীবভর সবচেয়ে বেশি। খাদ্যস্তরের যত উপরের স্তরে যাওয়া যায় জীবভরের পরিমাণ তত কমতে থাকে।


প্রশ্ন:৮
শ্বাসমূল ও ঠেসমূল কাকে বলে ?

উত্তর: 
লবণাম্বু উদ্ভিদের মূল অগভীর হয়। জলাভূমিতে বা কাদাময় পরিবেশে মূলগুলি দৃঢ়ভাবে আটকে থাকার জন্য ঐসব উদ্ভিদের কাণ্ড থেকে একাধিক মূল নির্গত হয়, তাদের ঠেসমূল বলে। আবার সহজে অক্সিজেন গ্রহণ করার জন্য অনেক মূল মাটি ভেদ করে শলাকার মতো উপরে উঠে আসে, এদের শ্বাসমূল বলে।


প্রশ্ন:৯
pH কী ?

উত্তর: 
PH হল হাইড্রোজেন আয়ন কেন্দ্রীভবনের লগারিদমের ধনাত্মক মান। P কথাটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Pontas (পনডাস) থেকে। PH কথাটির অর্থ হল—হাইড্রোজেন ক্যাটায়নের ওজন। মৃত্তিকার pH-এর মান 7 এর কম হলে মাটি আম্লিক হয়ে পড়ে এবং বেশি হলে মাটি ক্ষারকীয় হয়।


প্রশ্ন:১০
হরাইজন কী ?

উত্তর: 
একটি সুগঠিত মৃত্তিকার প্রস্থচ্ছেদ করলে ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরালে কয়েকটি স্তর লক্ষ করা যায়। মাটির এই প্রতিটি স্তরকেই হরাইজন বলে। একটি পরিণত মৃত্তিকাস্তর A, B, C এই তিনভাগে বিভক্ত।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল ?

জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যগুলি কী ছিল      ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত ভারতবাসীর আশা–আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও ব্রিটিশবিরোধী ক্ষোভের হাত থেকে ব্রিটিশ শাসনকে রক্ষা করার জন্যই।  জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (১) কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন— উদ্দেশ্য ঘোষণা—বোম্বাইয়ের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজ হল জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে (১৮৮৫ খ্রি., ২৮ ডিসেম্বর) সভাপতির ভাষণে উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে চারটি মূল উদ্দেশ্যের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এগুলি হল—   (i) ভাষাগত ও ধর্মীয় বৈচিত্রে ভরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের দেশপ্রেমীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও একাত্মতা গড়ে তোলা, (ii) সম্প্রীতির দ্বারা জাতি, ধর্ম, প্রাদেশিকতার তুচ্ছ সংকীর্ণতা দূর করে জাতীয় সংহতির পথ প্রশস্ত করা, (iii) শিক্ষিতদের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে সামাজিক ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের উপায় নির্ণয় করা, (iv) ভারতের রাজনৈতিক অগ্রগতির জন্য ভবিষ্যৎ কর্মসূচি গ্রহণ করা।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 5

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম কত বছর ভারতে বসবাস করতে হয়?  উত্তরঃ ৫ বছর। প্রশ্নঃ বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকার আছে?  উত্তরঃ  ৬টি

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...