ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
কোশের গঠন এবং কাজ
প্রশ্ন:১
মাইটোসিসকে সমবিভাজন বলা হয় কেন ?
উত্তর:
মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় মাতৃকোশ ও উৎপন্ন অপত্য কোশের ক্রোমােজোম সংখ্যা সমান থাকে এবং তারা সমগুণসম্পন্ন হয়, এই কারণে মাইটোসিসকে সমবিভাজন বলে।
প্রশ্ন:২
সাইক্লিনস্ (Cyclins) কী ?
উত্তর:
সাইক্লিনস্ একপ্রকারের প্রােটিন। সাইক্লিনস্ ও সাইক্লিন-নির্ভর প্রােটিন কাইনেজেস্ (CDKs) মিলিতভাবে কোশচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। কোশচক্র দুটি জায়গায় নিয়ন্ত্রিত হয় এদের যথাক্রমে প্রথম চেক্ পয়েন্ট (First check point) ও দ্বিতীয় চেক্ পয়েন্ট (Second check point) বলে। সাইক্লিন G1 (CG1) ক্রিয়া করে কোশচক্রের ‘G1’ দশাকে ‘S’ দশায় উন্নীত করে আবার সাইক্লিন M (CM) বা মাইটোটিক সাইক্লিন্ ক্রিয়া করে ‘G2’ দশাকে ‘M’ দশায় উন্নীত করে।
প্রশ্ন:৩
কোন্ প্রকার কোশে মিয়ােসিস ঘটে ? একে হ্রাসকরণ বিভাজন বলে কেন ?
উত্তর:
জীবের জনন মাতৃকোশ, রেণুমাতৃকোশ ও জাইগােস্পােরে মিয়ােসিস ঘটে।
ডিপ্লয়েড জনন মাতৃকোশ থেকে হ্যাপ্লয়েড জনন সৃষ্টি হওয়ার সময় মাতৃকোশের ক্রোমােজোম সংখ্যা অপত্য কোশে অর্ধেক হয়ে যায়। এই কারণে মিয়ােসিসকে হ্রাস বিভাজন বলে।
প্রশ্ন:৪
মাইটোটিক পয়জন (Mitotic poison) কাকে বলে ?
উত্তর:
যে সকল পদার্থ কোশ বিভাজনে বাধা সৃষ্টি করে তাদের মাইটোটিক পয়জন বলে। যথা—কলচিসিন, সায়ানাইডস, অ্যাজাইডস, ইত্যাদি।
প্রশ্ন:৫
অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ? বৈজ্ঞানিক নামসহ দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:
যে বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমােজোম ও বেম গঠন ছাড়া এবং নিউক্লীয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস অবলুপ্ত না হয়ে কোশের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুই বা ততােধিক অপত্য কোশ সৃষ্টি হয়, তাকে অ্যামাইটোসিস বলে। উদাহরণ—
ইস্ট—Saccharomyces cerevisiae,
ব্যাকটেরিয়া—Escherichia coli.
প্রশ্ন:৬
মাইটোজেন (Mitogens) কাদের বলে ?
উত্তর:
যে সকল পদার্থ কোশ বিভাজনে উদ্দীপনা জোগায় তাদের মাইটোজেন বলে। যথা—
উদ্ভিদ দেহে—সাইটোকাইনিন, অক্সিন;
মানবদেহে—লিম্ফোকাইনস্, এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর (EGF), ইনসুলিন, স্টেরয়েড ইত্যাদি।
প্রশ্ন:৭
মিয়ােসিসের দুটি গুরুত্ব উল্লেখ করাে।
উত্তর:
মিয়ােসিসের গুরুত্বগুলি হল—
(i) গ্যামেট বা রেণু গঠনের মাধ্যমে যৌন জননকারী জীবের ডিপ্লয়েড (2n) থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) অবস্থায় পরিবর্তনে সাহায্য করে।
(ii) মিয়ােসিস প্রজাতির ক্লোমােজাম সংখ্যা ধ্রুবক রাখে।
প্রশ্ন:৮
রিকম্বিনেশন নােডিউল (Recombination nodule) কী ?
উত্তর:
মিয়ােসিস-I এর প্যাকিটিন উপদশায় বাইভ্যালেন্টের সাইন্যাপটোনেমাল কমপ্লেক্সের ওপর স্থানে স্থানে ঘনীভূত স্থানের (Dense areas) আবির্ভাব হয় এদের রিকম্বিনেশন নােডিউল বলে (Zickler et al, 1977)।
এগুলি রিকম্বিনেজ নামক বহু উৎসেচক-যৌগ (Multienzyme complex) ধারণ করে। উৎসেচকগুলি হল এন্ডোনিউক্লিয়েজ, এক্সোনিউক্লিয়েজ, আনউইন্ডেজ, R-প্রােটিন ইত্যাদি।
এগুলির সাহায্যে ক্রোমাটিডের ভাঙন, প্রতিস্থাপন ও সংযুক্তির মাধ্যমে ক্রসিংওভার ঘটে।
প্রশ্ন:৯
কোন্ রাসায়নিক পদার্থ কোশ বিভাজনকালে স্পিন্ডল গঠনে বাধা দেয় ?
উত্তর:
অ্যালকালয়েড কলচিসিন্ (Colchicine) কোশ বিভাজনকালে স্পিন্ডল গঠনে বাধা দেয়। এর ফলে কোশে ক্রোমােজোম সংখ্যা দ্বিগুণিত হয়ে পলিপ্লয়েডি সৃষ্টি করে। এই ধরনের পলিপ্লয়েডকে কলচিপ্লয়েড বলে।
প্রশ্ন:১০
মাইটোসিসের অ্যানাফেজ দশায় যে বিভিন্ন প্রকার বেমতন্তু দেখা যায় সেগুলি কী কী ?
উত্তর:
অ্যানাফেজ দশায় চার রকমের বেমত দেখা যায় যথা—
(i) অবিচ্ছিন্ন তন্তু—বেমের উত্তরমেরু থেকে দক্ষিণমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
(ii) ক্রোমােজোমাল তন্তু—এই তন্তুগুলি একটি মেরু থেকে ক্রোমােজোম পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
(iii) ইন্টারজোনাল তন্তু—দুটি অপত্য ক্রোমােজোমের মাঝখানে অবস্থান করে।
(iv) অ্যাস্ট্রাল তন্তু—সেন্ট্রিওলকে ঘিরে থাকে খুব ক্ষুদ্র তন্তু।

Comments
Post a Comment