Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-কোশের গঠন এবং কাজ, সেট-৯

কোশের গঠন এবং কাজ


প্রশ্ন:১
মাইটোসিসকে সমবিভাজন বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় মাতৃকোশ ও উৎপন্ন অপত্য কোশের ক্রোমােজোম সংখ্যা সমান থাকে এবং তারা সমগুণসম্পন্ন হয়, এই কারণে মাইটোসিসকে সমবিভাজন বলে।


প্রশ্ন:২
সাইক্লিনস্ (Cyclins) কী ?

উত্তর: 
সাইক্লিনস্ একপ্রকারের প্রােটিন। সাইক্লিনস্ ও সাইক্লিন-নির্ভর প্রােটিন কাইনেজেস্ (CDKs) মিলিতভাবে কোশচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। কোশচক্র দুটি জায়গায় নিয়ন্ত্রিত হয় এদের যথাক্রমে প্রথম চেক্ পয়েন্ট (First check point) ও দ্বিতীয় চেক্ পয়েন্ট (Second check point) বলে। সাইক্লিন G1 (CG1) ক্রিয়া করে কোশচক্রের ‘G1’ দশাকে ‘S’ দশায় উন্নীত করে আবার সাইক্লিন M (CM) বা মাইটোটিক সাইক্লিন্ ক্রিয়া করে ‘G2’ দশাকে ‘M’ দশায় উন্নীত করে।


প্রশ্ন:৩
কোন্ প্রকার কোশে মিয়ােসিস ঘটে ? একে হ্রাসকরণ বিভাজন বলে কেন ? 

উত্তর: 
জীবের জনন মাতৃকোশ, রেণুমাতৃকোশ ও জাইগােস্পােরে মিয়ােসিস ঘটে।
ডিপ্লয়েড জনন মাতৃকোশ থেকে হ্যাপ্লয়েড জনন সৃষ্টি হওয়ার সময় মাতৃকোশের ক্রোমােজোম সংখ্যা অপত্য কোশে অর্ধেক হয়ে যায়। এই কারণে মিয়ােসিসকে হ্রাস বিভাজন বলে।


প্রশ্ন:৪
মাইটোটিক পয়জন (Mitotic poison) কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে সকল পদার্থ কোশ বিভাজনে বাধা সৃষ্টি করে তাদের মাইটোটিক পয়জন বলে। যথা—কলচিসিন, সায়ানাইডস, অ্যাজাইডস, ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৫
অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ? বৈজ্ঞানিক নামসহ দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যে বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমােজোম ও বেম গঠন ছাড়া এবং নিউক্লীয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস অবলুপ্ত না হয়ে কোশের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুই বা ততােধিক অপত্য কোশ সৃষ্টি হয়, তাকে অ্যামাইটোসিস বলে। উদাহরণ—
ইস্ট—Saccharomyces cerevisiae,
ব্যাকটেরিয়া—Escherichia coli.


প্রশ্ন:৬
মাইটোজেন (Mitogens) কাদের বলে ?

উত্তর: 
যে সকল পদার্থ কোশ বিভাজনে উদ্দীপনা জোগায় তাদের মাইটোজেন বলে। যথা—
উদ্ভিদ দেহে—সাইটোকাইনিন, অক্সিন;
মানবদেহে—লিম্ফোকাইনস্, এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর (EGF), ইনসুলিন, স্টেরয়েড ইত্যাদি।


প্রশ্ন:৭
মিয়ােসিসের দুটি গুরুত্ব উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
মিয়ােসিসের গুরুত্বগুলি হল—
(i) গ্যামেট বা রেণু গঠনের মাধ্যমে যৌন জননকারী জীবের ডিপ্লয়েড (2n) থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) অবস্থায় পরিবর্তনে সাহায্য করে।
(ii) মিয়ােসিস প্রজাতির ক্লোমােজাম সংখ্যা ধ্রুবক রাখে।


প্রশ্ন:৮
রিকম্বিনেশন নােডিউল (Recombination nodule) কী ?

উত্তর: 
মিয়ােসিস-I এর প্যাকিটিন উপদশায় বাইভ্যালেন্টের সাইন্যাপটোনেমাল কমপ্লেক্সের ওপর স্থানে স্থানে ঘনীভূত স্থানের (Dense areas) আবির্ভাব হয় এদের রিকম্বিনেশন নােডিউল বলে (Zickler et al, 1977)।
এগুলি রিকম্বিনেজ নামক বহু উৎসেচক-যৌগ (Multienzyme complex) ধারণ করে। উৎসেচকগুলি হল এন্ডোনিউক্লিয়েজ, এক্সোনিউক্লিয়েজ, আনউইন্ডেজ, R-প্রােটিন ইত্যাদি।
এগুলির সাহায্যে ক্রোমাটিডের ভাঙন, প্রতিস্থাপন ও সংযুক্তির মাধ্যমে ক্রসিংওভার ঘটে।


প্রশ্ন:৯
কোন্ রাসায়নিক পদার্থ কোশ বিভাজনকালে স্পিন্ডল গঠনে বাধা দেয় ?

উত্তর: 
অ্যালকালয়েড কলচিসিন্ (Colchicine) কোশ বিভাজনকালে স্পিন্ডল গঠনে বাধা দেয়। এর ফলে কোশে ক্রোমােজোম সংখ্যা দ্বিগুণিত হয়ে পলিপ্লয়েডি সৃষ্টি করে। এই ধরনের পলিপ্লয়েডকে কলচিপ্লয়েড বলে।


প্রশ্ন:১০
মাইটোসিসের অ্যানাফেজ দশায় যে বিভিন্ন প্রকার বেমতন্তু দেখা যায় সেগুলি কী কী ?

উত্তর: 
অ্যানাফেজ দশায় চার রকমের বেমত দেখা যায় যথা— 
(i) অবিচ্ছিন্ন তন্তু—বেমের উত্তরমেরু থেকে দক্ষিণমেরু পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
(ii) ক্রোমােজোমাল তন্তু—এই তন্তুগুলি একটি মেরু থেকে ক্রোমােজোম পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
(iii) ইন্টারজোনাল তন্তু—দুটি অপত্য ক্রোমােজোমের মাঝখানে অবস্থান করে।
(iv) অ্যাস্ট্রাল তন্তু—সেন্ট্রিওলকে ঘিরে থাকে খুব ক্ষুদ্র তন্তু।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত