Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর। ভূগোল, সেট-৩

ভূগোল


প্রশ্ন:১
ব্যাপক কৃষি বলতে কি বােঝ ?

উত্তর: 
বিশ্বের যে সব দেশ অঞ্চলে জনঘনত্বের পরিমাণ কম এবং তুলনামূলকভাবে কৃষি জমির পরিমাণ বেশি, সেই সবদেশ বা অঞ্চলে সুবিশাল কৃষিখামারগুলিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির দ্বারা স্বল্প সংখ্যক শ্রমিকের সাহায্যে চাষ-আবাদ করা হয়ে থাকে। এই প্রকার আধুনিক কৃষি পদ্ধতিকে ব্যাপক কৃষি বলে।


প্রশ্ন:২
পুনঃ রপ্তানি বানিজ্য কাকে বলে ? 

উত্তর: 
আন্তর্জাতিক বাজারে কোন পণ্য দ্রব্য অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ থেকে আমদানি করে, যেটি চাহিদাযুক্ত কোন দেশে রপ্তানি করা হলে এরূপ বাণিজ্যকে পুনঃ রপ্তানি বাণিজ বলে। পুনঃ রপ্তানি বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার ও অর্থনীতিকে খুবই সমৃদ্ধ করে।


প্রশ্ন:৩
স্বাভাবিক উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লেখাে। 

উত্তর: 
স্বাভাবিক উদ্ভিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্যগুলি হল—
(i) সূর্যালােক উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত বায়ু প্রবাহ প্রভৃতির প্রভাবে উদ্ভিদ নিজে থেকেই জন্মায় ও বেড়ে ওঠে। 
(ii) সব ধরণের প্রাকৃতিক পরিবেশে দ্রুত অঙ্গ সংস্থানিক ও শারীরবৃত্তিয় অভিযােজন ঘটায়।
(iii) বাস্তুতন্ত্রের সবুজ উদ্ভিদ সালােকসংশ্লেষের মাধ্যমে নিজেদের দেহে সৌরশক্তি সঞ্চয় করে তা খাদক স্তরে ছড়িয়ে দেয়।
(iv) স্বাভাবিক উদ্ভিদ হল জলবায়ুর সূচক।


প্রশ্ন:৪
ডিসলেক্সিয়া (Dislexia) রােগ কি ?

উত্তর: 
মানব দেহে সিসার বিষক্রিয়া জনিত কারণে সৃষ্ট রােগকে ডিসলেক্সিয়া রােগ বলে। জল ও খাদ্যের সঙ্গে এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে সিসা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ডিসলেক্সিয়া রােগের সৃষ্টি হয়। এই রােগের উপসর্গগুলি হল—
(i) মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্ম বিঘ্নিত হয়। 
(ii) শিশুদের সঠিক সময়ে শারিরীক বিকাশ হয়না।


প্রশ্ন:৫
উৎপাদক বলতে কি বােঝ ?

উত্তর: 
যে সব ক্লোরােফিল যুক্ত সবুজ উদ্ভিদ ও সালােকসংশ্লেষকারী ব্যাকটেরিয়া সূর্যের আলােক শক্তির উপস্থিতিতে পরিবেশ থেকে কার্বনডাই-অক্সাইড ও মূলের সাহায্যে জল নিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে সেগুলিকে উৎপাদক বলে। 
যেমন—সবুজ উদ্ভিদ, সালােকসংশ্লেষকারী ব্যাকটেরিয়া, কেমোসিন্থেটিক জীবাণু প্রভৃতি উৎপাদকের উদাহরণ।


প্রশ্ন:৬
ভারতের কত প্রকারের সড়কপথ আছে ও কি কি ?

উত্তর: 
ভারতে সড়কপথ সাত প্রকার। যথা—
(i) জাতীয় সড়কপথ 
(ii) রাজ্য সড়কপথ 
(iii) জেলা সড়কপথ 
(iv) গ্রাম্য সড়কপথ 
(v) সীমান্ত সড়কপথ 
(vi) দ্রুত পরিবহন পথ 
(vii) আন্তর্জাতিক রাজপথ।


প্রশ্ন:৭
মিনামাটা (Minamata) রােগ কি ?

উত্তর: 
পারদঘটিত জলদূষণের কারণে সৃষ্ট রােগকে মিনামাটা রােগ বলে। ১৯৫৫ সালে জাপানের মিনামাটা উপসাগরের উপকূলবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাগণ পারদ সংক্রামিত মাছ খেয়ে মিনামাটা রােগে আক্রান্ত হয়েছিল। এর ফলে কয়েক হাজার মানুষের প্যারালাইসিস হয় এবং অসংখ্য মানুষ মারা যায়।


প্রশ্ন:৮
পার্বত্য অঞ্চলে পরিণত মাটি গঠিত হয় না কেন ?

উত্তর: 
পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিঢাল বেশি হওয়াই পরিণত মাটি গঠনের প্রধান প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। যেমন—
(i) ভূমিঢাল বেশি হওয়ায় আবহবিকারের ফলে সৃষ্ট বিচূর্ণীত শিলাখন্ডগুলি বিভিন্ন প্রবহমান শক্তি দ্বারা অপসারিত হওয়ার ফলে মাটির স্তর সুগঠিত হয় না। 
(ii) ভূমিঢাল বেশি হওয়ার ফলে এখানে ভূমিক্ষয়ের পরিমান বেশি। এজন্য এখানকার মাটি অগভীর এবং মাটির স্তর পাতলা। 
(iii) পাহাড়ের উঁচু অংশ থেকে নীচের দিকে ক্রমাগত নুড়ি, বালি, পাথর গড়িয়ে আসার ফলে মাটিতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পদার্থের মিশ্রণের ফলে মাটি পরিণত হতে পারে না।


প্রশ্ন:৯
অনুসারী শিল্প কাকে বলে ?

উত্তর: 
প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত খণিজ বা কৃষিজ কাঁচামালকে ভিত্তি করে উৎপন্ন শিল্পজাত দ্রব্যসমূহকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে যখন বহু প্রকার শিল্প গড়ে ওঠে, তখন সেই সব শিল্পকে অনুসারী শিল্প বলে। অনুসারী শিল্পে উৎপন্ন পণ্যের উৎপাদন ব্যয় যথেষ্ট কম। 
যেমন–পেট্রোরসায়ন শিল্পের প্রধান উপজাত দ্রব্য ন্যাপথা থেকে কৃত্রিম রবার, সার, রং, কৃত্রিম সুতাে প্রভৃতি বহুধরণের শিল্পজাত দ্রব্য উৎপন্ন হয়।


প্রশ্ন:১০
বিয়ােজক বা মৃতজীবী কাদের বলে ?

উত্তর: 
যে সব আনুবীক্ষণিক ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলের প্রােটোপ্লাজমের জটিল যৌগগুলিকে ভেঙে সরল উপাদানে পরিণত করে, তাদের বিয়ােজক বা মৃতজীবী বলে। যেমন—ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য

  গিরিখাত এবং ক্যানিয়নের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. গিরিখাত ক্যানিয়ন 1 গিরিখাত আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে বহু উপনদী গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। ফলে নদীখাত সামান্য প্রশস্ত হয়। ক্যানিয়ন শুষ্ক পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্টি হয় বলে ক্যানিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীর সঙ্গে কোনো উপনদী মিলিত হয় না। ফলে নদীখাত একদম সংকীর্ণ হয়। 2 আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীতে গিরিখাতের সৃষ্টি হয়। শুষ্ক মরু ও মরুপ্রায় উচ্চভূমিতে প্রবাহিত নদীতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি হয়। 3 গিরিখাত গঠনের সময় অধিক নিম্নক্ষয়ের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পার্শ্বক্ষয়ও হয়ে থাকে। ক্যানিয়ন গঠনের সময় পার্শ্বক্ষয় একদম হয় না শুধু নদীর নিম্নক্ষয়ই হয়ে থাকে। 4 গিরিখাতের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো। ক্যানিয়নের আকৃতি অনেকটা ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো। 5 যেহেতু আর্দ্র পার্বত্য অঞ্চলে গিরিখাত সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃষ্টিপাতের জন্য নদীর দুই পাড়ের ক্ষয় সামা...

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...