Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ, সেট-২

ভূমিরূপ ও তার শ্রেণীবিভাগ


প্রশ্ন:১
দুটি মৃত আগ্নেয়গিরির নাম করাে।

উত্তর: 
মায়ানমারের মাউন্ট পােপা ও মেক্সিকোর কটোপ্যাক্সি হল দুটি মৃত আগ্নেয়গিরি।


প্রশ্ন:২
মৃত আগ্নেয়পর্বত বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে অতীতে অগ্ন্যুৎপাত হত কিন্তু বর্তমানে বন্ধ আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাত হওয়ার কোনাে সম্ভাবনা নেই, তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলে। 
যেমন—মায়ানমারের মাউন্ট পােপা, মেক্সিকোর কটোপ্যাক্সি প্রভৃতি।


প্রশ্ন:৩
ভারতের দুটি ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
ভারতের ছােটোনাগপুর মালভূমি ও কর্ণাটক মালভূমি দুটি ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির উদাহরণ।


প্রশ্ন:৪
ক্ষয়জাত পর্বতকে অবশিষ্ট পর্বত বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
কোনাে উচ্চভূমি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অনুচ্চ পর্বতে পরিণত হলে তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে। সুতরাং, মূল বা আদি ভূমিরূপের অবশিষ্ট অংশ পর্বতরূপে অবস্থান করে বলে একে অবশিষ্ট পর্বতও বলা হয়।


প্রশ্ন:৫
স্তূপ পর্বতের পাশেই গ্রস্ত উপত্যকা দেখা যায় কেন ?

উত্তর: 
ফাটল দ্বারা বিচ্ছিন্ন ভূত্বকের কোনাে অংশ সংলগ্ন অংশ থেকে বিচ্যুত হয়ে উত্থিত বা অবনত হতে পারে। উত্থিত ও অবনত অংশকে যথাক্রমে স্তূপ পর্বত ও গ্রস্ত উপত্যকা বলে। ভূত্বকের কোনাে অংশ উত্থিত বা অবনত হলে সংলগ্ন অংশ স্বাভাবিকভাবেই যথাক্রমে অবনত বা উত্থিত হয়। সুতরাং, স্তূপ পর্বত গঠিত হলে পাশে গ্রস্ত উপত্যকা সৃষ্টি হবেই।


প্রশ্ন:৬
সুপ্ত আগ্নেয়পর্বত বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যেসব আগ্নেয়গিরিতে বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত বন্ধ আছে কিন্তু ভবিষ্যতে অগ্ন্যুৎপাত হওয়ার সম্ভাবনা আছে তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে। 
যেমন—জাপানের ফুজিয়ামা, আফ্রিকার মাউন্ট কেনিয়া প্রভৃতি।


প্রশ্ন:৭
সঞ্চয়জাত পর্বর্তকে আগ্নেয় পর্বতও বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
ভূপৃষ্ঠে লাভা সঞ্চয়ের ফলে সঞয়জাত পর্বতের সৃষ্টি হয়। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূপৃষ্ঠে লাভার নির্গমন ও সঞ্জয় ঘটে। তাই সঞ্চয়জাত পর্বতকে আগ্নেয় পর্বতও বলা হয়।


প্রশ্ন:৮
জীবন্ত আগ্নেয়পর্বত কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তর: 
যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে বর্তমানকালেও অগ্ন্যুৎপাত হয়ে চলেছে তাদের জীবন্ত আগ্নেয়গিরি বা জীবন্ত আগ্নেয়পর্বত বলা হয়। অগ্ন্যুৎপাতের প্রকৃতি অনুসারে জীবন্ত আগ্নেয়গিরিকে দু-ভাগে ভাগ করা হয়। যথা—
(১) অবিরাম আগ্নেয়গিরি—যেসব জীবন্ত আগ্নেয়গিরি থেকে সারা বছর নিয়মিতভাবে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে অবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে। 
যেমন—ইতালির ভিসুভিয়াস এবং হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মৌনালােয়া প্রভৃতি।
(২) সবিরাম আগ্নেয়গিরি—যেসব আগ্নেয়গিরিতে বেশ কিছুদিন পরপর অগ্ন্যুৎপাত হয় তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে। 
যেমন—ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাতােয়া, ইতালির স্ট্রোম্বলি, আলাস্কার মাউন্ট ম্যাগমা প্রভৃতি ।


প্রশ্ন:৯
প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা কী ?

উত্তর: 
প্রশান্ত মহাসাগরকে বলয়ের মতাে ঘিরে আছে যে আগ্নেয় গিরিমণ্ডল, তাকেই ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ বলে। পৃথিবীর প্রায় ৭০% আগ্নেয়গিরি প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে রয়েছে।


প্রশ্ন:১০
মহীখাতের সঙ্গে ভঙ্গিল পর্বতের সম্পর্ক কী ?

উত্তর: 
পৃথিবীর আদি ভূভাগ দ্বারা বেষ্টিত ভূপৃষ্ঠের সংকীর্ণ, অবনমিত ও অগভীর সমুদ্রখাতকে মহীখাত বলে। আদি ভূভাগ থেকে ক্ষয়প্রাপ্ত পলি মহীখাতে সঞ্চিত হয়। সঞ্চিত পলিতে পার্শ্বচাপের ফলে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি হয়। সুতরাং, ভঙ্গিল পর্বত হল অন্যতম ভূমিরূপ যার জন্মস্থান হল মহীখাত।


 

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

জীববিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান, সেট-১০

উদ্ভিদ ও প্রাণীর গঠনগত অঙ্গসংস্থান প্রশ্ন:১ বালব্ বা কন্দ কাকে বলে ? উত্তর:  যে সব মৃদগত কাণ্ড সর্বাপেক্ষা ছােটো চাকতির মতাে এবং সঞ্চিত খাদ্যবিহীন, কাণ্ডে পর্ব ও সংকুচিত পর্বমধ্য থাকে এবং রসালাে শল্কপত্রযুক্ত হয়, কাণ্ডের নীচে অসংখ্য গুচ্ছমূল থাকে এবং অনুকূল ঋতুতে ভৌমপুষ্পদণ্ড সৃষ্টি হয়, তাদের বালব্ বা কন্দ বলে। পেয়াজ, রসুন ইত্যাদির কাণ্ড এই রকমের। প্রশ্ন:২ পর্ণকাণ্ড বা ফাইলােক্ল্যাড কাকে বলে ? উত্তর:  যেসব কাণ্ড খর্ব, স্থূল, রসালাে এবং পাতার মতাে চ্যাপটা ও সবুজ, তাদের পর্ণকাণ্ড বলে। ফণীমনসা উদ্ভিদে পর্ণকাণ্ড দেখা যায়।

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন(The Evolution of Indian Civilization)

ভারতীয় সভ্যতার বিবর্তন: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক যাত্রা           ভারতীয় সভ্যতা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নিরন্তর প্রবাহমান সভ্যতা। এর বিবর্তন একটি বিশাল মহাকাব্যিক যাত্রা, যা প্রায় দশ হাজার বছর ধরে বহু যুগ, সংস্কৃতি, ধর্ম, সাম্রাজ্য এবং মতাদর্শের উত্থান-পতনের সাক্ষী। এই বিবর্তন শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, প্রযুক্তি, শিল্পকলা, দর্শন এবং আধ্যাত্মিক চেতনার নিরবচ্ছিন্ন রূপান্তরকেও নির্দেশ করে।

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং সামান্য ঢালযুক্ত বিস্তৃত সমতল ক্ষেত্রকে সমভূমি বলে। তবে পৃথিবীর অধিকাংশ সমভূমিই সমুদ্র সমতল থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থান করে। সমভূমির বৈশিষ্ট্য—

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

লোয়েস সমভূমি

লোয়েস সমভূমি                   বায়ুর পরিবহনও অবক্ষেপণের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল লোয়েস সমভূমি। ‘লোয়েস’ কথাটির অর্থ ‘স্থানচ্যুত বস্তু’ বায়ুপ্রবাহিত অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা ‘লোয়েস’ নামে পরিচিত। ০.০৫ মিলিমিটার ব্যাসের সূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা প্রভৃতি বায়ুর সঙ্গে বহুদূর উড়ে যেতে পারে। অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা বায়ুর দ্বারা পরিবাহিত হয়ে কোনো নীচু স্থানে জমা হয়ে যে সমভূমি গঠন করে তাকে লোয়েস সমভূমি বলে। কখনও কখনও মরুভূমির বালি বায়ু দ্বারা অপসারিত হয়ে পার্শ্ববর্তী কোনো উর্বর কৃষিভূমিকে ক্রমশ ঢেকে ফেলে জমিটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে দেয় এবং ধীরে ধীরে কৃষিভূমিটিকে মরুভূমি গ্রাস করে ফেলে।

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব

গ্রিনহাউস গ্যাস ও গ্রিনহাউস প্রভাব          গ্রিনহাউস প্রভাব হল দূষিত পরিবেশের অন্যতম ফল। বায়ুমণ্ডলে মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলে। কাচঘরের কাচ যেমন ঘরের ভিতরের তাপকে বিকিরিত হয়ে বাইরে নির্গত হতে বাধা দেয়, বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসগুলিও পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপকে শোষণ করে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করে। এই ঘটনাটিকেই গ্রিনহাউস এফেক্ট বা সবুজ ঘর প্রভাব বলে।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।

মানব জীবনের ওপর পর্বতের প্রভাব উল্লেখ করো।           সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু ও বহুদূর বিস্তৃত শিলাময় স্তূপ যার ভূপ্রকৃতি অত্যন্ত বন্ধুর, ভূমির ঢাল বেশ খাড়া এবং গিরিশৃঙ্গ ও উপত্যকা বর্তমান তাকে পর্বত বলে৷ খাড়াভাবে দাঁড়িয়ে থাকা এই পর্বত মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে। মানবজীবনে পর্বতের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবগুলি হল—

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...