Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 24

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ ভারতের আকস্মিক তহবিল সৃষ্টি হয়—   উত্তরঃ  ১৯৫০ সালের সংসদীয় আইন অনুসারে। প্রশ্নঃ ভারতীয় সংবিধানে কত নম্বর ধারা অনুযায়ী অর্থ কমিশন গঠিত হয়েছে—   উত্তরঃ  ২৮০ নং ধারা।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূত্বকের আবহবিকার, সেট-২

ভূত্বকের আবহবিকার


প্রশ্ন:১
যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি (জলপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ প্রভৃতি) আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান (উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতি) এবং প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের প্রভাবে শিলাস্তর যখন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে শিলাখণ্ডে পরিণত হয় এবং শিলাখণ্ডগুলি মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। এক্ষেত্রে শিলাস্তরের বাহ্যিক আকার ও আয়তনের পরিবর্তন হয়, রাসায়নিক ধর্মের কোনাে পরিবর্তন হয় না।


প্রশ্ন:২
প্রস্তর চাঁই খণ্ডীকরণ বা পিণ্ড বিশরণ কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তাপের চরম তারতম্যে ব্যাসল্ট জাতীয় শিলাস্তর দিনেরবেলায় প্রসারিত হয় এবং রাত্রিবেলায় সংকুচিত হয়। ক্রমাগত সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলাস্তরের উপরিভাগে অসংখ্য উল্লম্ব ও অনুভূমিক ফাটলের সৃষ্টি হয়। ফাটল রেখা বরাবর বিচ্ছিন্ন শিলাখণ্ডগুলি অনেকটা বর্গক্ষেত্র বা আয়তক্ষেত্রের মতাে হয়। এই প্রকার আবহবিকারকে ‘প্রস্তর চাঁই খণ্ডীকরণ’ বা ‘পিণ্ড বিশরণ’ বা ‘চৌকাকার আবহবিকার’ বলে।


প্রশ্ন:৩
জৈবিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
জীবজন্তু, উদ্ভিদ ও মানুষের দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে শিলাস্তর যখন যান্ত্রিক উপায়ে চূর্ণবিচূর্ণ হয় অথবা জীবজন্তু ও উদ্ভিদের দেহাবশেষ এবং বর্জ্যপদার্থের সংস্পর্শে শিলামধ্যস্থ মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয়ে শিলাস্তরকে বিয়ােজিত করে তাকে জৈবিক আবহবিকার বলে। জৈবিক আবহবিকার যান্ত্রিক ও রাসায়নিক দুই প্রক্রিয়ায় ঘটতে পারে।


প্রশ্ন:৪
ক্ষুদ্রকণা বিশরণ কাকে বলে ?

উত্তর: 
বিভিন্ন রকম খনিজের সংমিশ্রণে গঠিত শিলার কোনাে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংকোচন প্রসারণের মাত্রা ভিন্নভিন্ন হয়ে থাকে। এইভাবে মরু অঞ্চলে বারংবার বিষম সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলার গঠন আলগা হয়ে যায় এবং শিলা ক্ষুদ্ৰক্ষুদ্র কণা আকারে ভেঙে পড়ে। একে ক্ষুদ্রকণা বিশরণ বলে। পেরু ও মধ্য অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে এইরূপ আবহবিকার দেখা যায়।


প্রশ্ন:৫
আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে প্রক্রিয়ায় আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন— উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, আর্দ্রতা প্রভৃতি বায়ুমণ্ডলের সক্রিয় উপাদান যেমন— CO2, O2, H2, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে শিলাস্তর বা শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিলাস্তরকে যান্ত্রিকভাবে বিশ্লিষ্ট করে বা রাসায়নিকভাবে বিয়ােজিত করে শিলাস্তরকে চূর্ণবিচূর্ণ করে, কিন্তু শিলাচূর্ণ উৎপত্তিস্থলেই অবস্থান করে তাকে আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:৬
শল্কমােচন বা এক্সফোলিয়েশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তাপের চরম তারতম্যে গ্রানাইট জাতীয় শিলাস্তর দিনেরবেলায় প্রসারিত হয় এবং রাত্রিবেলায় সংকুচিত হয়। শিলা যেহেতু তাপের কুপরিবাহী তাই ক্রমাগত সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলাস্তরের উপরিভাগ পেঁয়াজের খােসার মতাে মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে মূল শিলা আয়তনে ছােটো হলেও আকারে গােলই থাকে। এই প্রকার আবহবিকারকে ‘শল্কমােচন’ বা ‘গােলাকার আবহবিকার’ বা ‘এক্সফোলিয়েশন’ বলে।


প্রশ্ন:৭
জৈব-রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
মস, লিচেন, শৈবাল প্রভৃতি উদ্ভিদ বৃষ্টির জলে পচে গিয়ে হিউমাস ও হিউমিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে। আবার বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর দেহ থেকে লালারস নিঃসৃত হয়। হিউমিক অ্যাসিড ও অম্ল বা ক্ষারধর্মী লালারস শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয় এবং শিলাস্তর বিয়ােজিত হয়, একেই জৈব-রাসায়নিক আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:৮
টেরারােজা কী ?

উত্তর: 
বিশুদ্ধ চুনাপাথরের মধ্যে ক্যালশিয়াম কার্বোনেট ছাড়া অন্য উপাদান থাকে না। মাটি গঠনকারী উপাদান না থাকায় আবহবিকারের ফলে চুনাপাথর বিয়ােজিত হয়ে হিউমাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্য খনিজবিহীন চুন জাতীয় শিলাচূর্ণের আস্তরণ মূল শিলাস্তরের ওপর অবস্থান করে। একেই টেরারােজা বলে।


প্রশ্ন:৯
জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
উদ্ভিদজগৎ শিকড়ের দ্বারা এবং মৃৎভেদী প্রাণীজগৎ (খরগােশ, ইঁদুর, কেঁচো প্রভৃতি) নখ ও দাঁতের দ্বারা শিলাস্তরে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে শিলাস্তরকে যান্ত্রিকভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে। উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের মাধ্যমে শিলাস্তরের বাহ্যিক আকার, আয়তনের পরিবর্তন হয় কিন্তু রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তন হয় না। একেই জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:১০
রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদান কার্বন ডাইঅক্সাইড, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, জলীয়বাষ্প এবং বিভিন্ন প্রকার জৈব অম্ল প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয় এবং শিলাস্তর বিয়ােজিত হয়ে শিলাস্তরের ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে তাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

গ্রস্ত উপত্যকা

গ্রস্ত উপত্যকা : ১. গ্রস্ত উপত্যকার সংজ্ঞা :                দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ বসে গেলে যে অবনমিত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়, তাকে গ্রস্ত উপত্যকা বলে।              এছাড়া, মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে সংকোচন ও প্রসারণ বলের সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভূপৃষ্ঠের কঠিন শিলায় ফাটলের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীকালে পুনরায় ভূ-আন্দোলন ঘটলে বা ভূ-আলোড়নের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ফাটল রেখা বরাবর শিলার একটি অংশ অপর অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একে চ্যুতি বলে। সংনমন বল বৃদ্ধি পেলে দুটি চ্যুতির মাঝের অংশ খাড়াভাবে নীচে বসে যায়। অবনমিত, ওই অংশকে বলে গ্রস্ত উপত্যকা। 

যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য

  যান্ত্রিক আবহবিকার ও রাসায়নিক আবহবিকারের মধ্যে পার্থক্য Sl. No. যান্ত্রিক আবহবিকার রাসায়নিক আবহবিকার 1 বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলাস্তর যখন ফেটে ছোটো ছোটো খন্ড বা চূর্ণে পরিণত হয় মূল শিলার ওপরে অবস্থান করে তখন তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। নানান রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় শিলা বিয়োজিত হওয়ার ঘটনাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে। 2 যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার শুধুমাত্র ভৌত পরিবর্তন ঘটে। শিলা গঠনকারী খনিজের রাসায়নিক ধর্মের কোনো পরিবর্তন ঘটে না। রাসায়নিক আবহবিকারের ফলে শিলার মধ্যে অবস্থিত খনিজগুলি বিয়োজিত হয়। ফলে শিলার ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে। 3 উষ্ণ, মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল এবং শীতল পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকার বেশি মাত্রায় সংঘটিত হয়। আর্দ্র ক্রান্তীয় ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকার বেশি পরিমাণে সংঘটিত হয়। 4 যান্ত্রিক আবহবিকার অনেক সময় সশব্দে ঘটে থাকে। রাসায়নিক আবহবিকার নিঃশব্দে ঘটে থাকে। 5 ভূমিরূপ গঠন ও পরিবর্তন...

[MCQ]Geography।।ভারতের জলবায়ু।।সেট ২।।solve.org.in

ভারতের জলবায়ু প্রশ্ন:১ ভারতের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল : (a) ঋতু পরিবর্তন (b) অত্যধিক উষ্ণতা (c) অত্যধিক বৃষ্টিপাত