Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

প্রাকৃতিক ভূগোলের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর-ভূত্বকের আবহবিকার, সেট-২

ভূত্বকের আবহবিকার


প্রশ্ন:১
যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি (জলপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ প্রভৃতি) আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান (উষ্ণতা, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতি) এবং প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের প্রভাবে শিলাস্তর যখন চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে শিলাখণ্ডে পরিণত হয় এবং শিলাখণ্ডগুলি মূল শিলাস্তরের ওপরেই অবস্থান করে তাকে যান্ত্রিক আবহবিকার বলে। এক্ষেত্রে শিলাস্তরের বাহ্যিক আকার ও আয়তনের পরিবর্তন হয়, রাসায়নিক ধর্মের কোনাে পরিবর্তন হয় না।


প্রশ্ন:২
প্রস্তর চাঁই খণ্ডীকরণ বা পিণ্ড বিশরণ কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তাপের চরম তারতম্যে ব্যাসল্ট জাতীয় শিলাস্তর দিনেরবেলায় প্রসারিত হয় এবং রাত্রিবেলায় সংকুচিত হয়। ক্রমাগত সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলাস্তরের উপরিভাগে অসংখ্য উল্লম্ব ও অনুভূমিক ফাটলের সৃষ্টি হয়। ফাটল রেখা বরাবর বিচ্ছিন্ন শিলাখণ্ডগুলি অনেকটা বর্গক্ষেত্র বা আয়তক্ষেত্রের মতাে হয়। এই প্রকার আবহবিকারকে ‘প্রস্তর চাঁই খণ্ডীকরণ’ বা ‘পিণ্ড বিশরণ’ বা ‘চৌকাকার আবহবিকার’ বলে।


প্রশ্ন:৩
জৈবিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
জীবজন্তু, উদ্ভিদ ও মানুষের দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে শিলাস্তর যখন যান্ত্রিক উপায়ে চূর্ণবিচূর্ণ হয় অথবা জীবজন্তু ও উদ্ভিদের দেহাবশেষ এবং বর্জ্যপদার্থের সংস্পর্শে শিলামধ্যস্থ মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয়ে শিলাস্তরকে বিয়ােজিত করে তাকে জৈবিক আবহবিকার বলে। জৈবিক আবহবিকার যান্ত্রিক ও রাসায়নিক দুই প্রক্রিয়ায় ঘটতে পারে।


প্রশ্ন:৪
ক্ষুদ্রকণা বিশরণ কাকে বলে ?

উত্তর: 
বিভিন্ন রকম খনিজের সংমিশ্রণে গঠিত শিলার কোনাে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংকোচন প্রসারণের মাত্রা ভিন্নভিন্ন হয়ে থাকে। এইভাবে মরু অঞ্চলে বারংবার বিষম সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলার গঠন আলগা হয়ে যায় এবং শিলা ক্ষুদ্ৰক্ষুদ্র কণা আকারে ভেঙে পড়ে। একে ক্ষুদ্রকণা বিশরণ বলে। পেরু ও মধ্য অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে এইরূপ আবহবিকার দেখা যায়।


প্রশ্ন:৫
আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
যে প্রক্রিয়ায় আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন— উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, আর্দ্রতা প্রভৃতি বায়ুমণ্ডলের সক্রিয় উপাদান যেমন— CO2, O2, H2, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে শিলাস্তর বা শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিলাস্তরকে যান্ত্রিকভাবে বিশ্লিষ্ট করে বা রাসায়নিকভাবে বিয়ােজিত করে শিলাস্তরকে চূর্ণবিচূর্ণ করে, কিন্তু শিলাচূর্ণ উৎপত্তিস্থলেই অবস্থান করে তাকে আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:৬
শল্কমােচন বা এক্সফোলিয়েশন কাকে বলে ?

উত্তর: 
উত্তাপের চরম তারতম্যে গ্রানাইট জাতীয় শিলাস্তর দিনেরবেলায় প্রসারিত হয় এবং রাত্রিবেলায় সংকুচিত হয়। শিলা যেহেতু তাপের কুপরিবাহী তাই ক্রমাগত সংকোচন ও প্রসারণের ফলে শিলাস্তরের উপরিভাগ পেঁয়াজের খােসার মতাে মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে মূল শিলা আয়তনে ছােটো হলেও আকারে গােলই থাকে। এই প্রকার আবহবিকারকে ‘শল্কমােচন’ বা ‘গােলাকার আবহবিকার’ বা ‘এক্সফোলিয়েশন’ বলে।


প্রশ্ন:৭
জৈব-রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
মস, লিচেন, শৈবাল প্রভৃতি উদ্ভিদ বৃষ্টির জলে পচে গিয়ে হিউমাস ও হিউমিক অ্যাসিড সৃষ্টি করে। আবার বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর দেহ থেকে লালারস নিঃসৃত হয়। হিউমিক অ্যাসিড ও অম্ল বা ক্ষারধর্মী লালারস শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয় এবং শিলাস্তর বিয়ােজিত হয়, একেই জৈব-রাসায়নিক আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:৮
টেরারােজা কী ?

উত্তর: 
বিশুদ্ধ চুনাপাথরের মধ্যে ক্যালশিয়াম কার্বোনেট ছাড়া অন্য উপাদান থাকে না। মাটি গঠনকারী উপাদান না থাকায় আবহবিকারের ফলে চুনাপাথর বিয়ােজিত হয়ে হিউমাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্য খনিজবিহীন চুন জাতীয় শিলাচূর্ণের আস্তরণ মূল শিলাস্তরের ওপর অবস্থান করে। একেই টেরারােজা বলে।


প্রশ্ন:৯
জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
উদ্ভিদজগৎ শিকড়ের দ্বারা এবং মৃৎভেদী প্রাণীজগৎ (খরগােশ, ইঁদুর, কেঁচো প্রভৃতি) নখ ও দাঁতের দ্বারা শিলাস্তরে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে শিলাস্তরকে যান্ত্রিকভাবে চূর্ণবিচূর্ণ করে। উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের মাধ্যমে শিলাস্তরের বাহ্যিক আকার, আয়তনের পরিবর্তন হয় কিন্তু রাসায়নিক গঠনের পরিবর্তন হয় না। একেই জৈব-যান্ত্রিক আবহবিকার বলে।


প্রশ্ন:১০
রাসায়নিক আবহবিকার কাকে বলে ?

উত্তর: 
বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদান কার্বন ডাইঅক্সাইড, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, জলীয়বাষ্প এবং বিভিন্ন প্রকার জৈব অম্ল প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে শিলামধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে যুক্ত হলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে মূল খনিজ গৌণ খনিজে পরিণত হয় এবং শিলাস্তর বিয়ােজিত হয়ে শিলাস্তরের ভৌত ও রাসায়নিক উভয় ধর্মেরই পরিবর্তন ঘটে তাকে রাসায়নিক আবহবিকার বলে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।

ঐতিহাসিক তথ্য সরবরাহে সাহিত্যকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় দেশীয় সাহিত্যের অবদান বিস্তারিত আলোচনা করো।           ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির প্রামাণ্য দলিল। কিন্তু প্রাচীন ভারতে হেরোডোটাস বা থুকিডিডিসের মতো কোনো প্রথাগত ঐতিহাসিক ছিলেন না। এ কারণেই একসময় আল-বিরুনি মন্তব্য করেছিলেন যে, "ভারতীয়দের কোনো ইতিহাস চেতনা নেই।" কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ সত্য নয়। প্রাচীন ভারতের মুনি-ঋষি এবং কবিরা সরাসরি ইতিহাস না লিখলেও, তাঁদের রচিত বিপুল সাহিত্যরাশির মধ্যে ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের মহামূল্যবান উপাদান। এই উপাদানগুলিকে বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করলেই প্রাচীন ভারতের লুপ্ত ইতিহাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

[MCQ]Environment।।Man & Environment।।মানুষ ও পরিবেশ।।সেট ১

মানুষ ও পরিবেশ ➤ প্রশ্ন:১ W.T.O. সম্পূর্ণ নাম হলাে— (a) World Transport Organization. (b) World Tobacco Organization. (c) World Trade Organization.

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

হিমানী সম্প্ৰপাত

হিমানী সম্প্ৰপাত           পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে পার্বত্য অঞ্চলে তুষারক্ষেত্রের জমাট বাঁধা বরফ অত্যন্ত ধীরগতিতে পর্বতের ঢাল বেয়ে নীচের দিকে নেমে আসতে থাকে। সময় সময় পাহাড়ের ঢালে চলমান এইরকম হিমবাহ থেকে বিশাল বরফের স্তূপ ভেঙে বিপুলবেগে নীচের দিকে পড়তে দেখা যায়, একে হিমানী সম্প্রপাত বলে।  

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...