Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী - ভৌতবিজ্ঞান - পরিবেশের জন্য ভাবনা - নোটস (Concern About Our Environment)

পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।।স্বাধীন ভারতের সংবিধান এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, সেট-২

স্বাধীন ভারতের সংবিধান এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ


প্রশ্ন:১
ভারতের প্রধানমন্ত্রী কীভাবে নিয়ােজিত হন ?

উত্তর: 
ভারতীয় সংবিধানের ৭৫ (১ নং) ধারা অনুযায়ী লােকসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা মাের্চার নেতা বা নেত্রীকেই রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়ােগ করে থাকেন। কিন্তু লােকসভায় কোনাে দল বা মাের্চা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে রাষ্ট্রপতি নিজ মনােনীত ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ করতে পারেন। তবে ওই ব্যক্তির পক্ষে লােকসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন থাকতে হবে।



প্রশ্ন:২
আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের ভূমিকা কী ?

উত্তর: 
আন্তর্জাতিক বিচারালয়ের ভূমিকা মূলত দুটি। যেমন— 
(১) স্বেচ্ছামূলক–বিবদমান পক্ষের সম্মতিতে উত্থাপিত সকল মামলার বিচার।
(২) এক্তিয়ারভুক্ত–(i) কোনাে সন্ধি বা চুক্তির ব্যাখ্যা, 
                             (ii) আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক প্রশ্ন, 
                            (iii) আন্তর্জাতিক দায়দায়িত্ব লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ও পদ্ধতি নির্ধারণ।



প্রশ্ন:৩
ভারতের প্রথম সাধারণ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয় ?

উত্তর: 
ভারতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের ২৫ অক্টোবর। যা চলে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।



প্রশ্ন:৪
ভারতের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান কে ? তিনি কাদের দ্বারা নির্বাচিত হন ?

উত্তর: 
ভারতের সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
ভারতের রাষ্ট্রপতি সংসদের উভয় সভার সদস্য ও রাজ্য আইনসভার নিম্ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গঠিত এক বিশেষ নির্বাচক মণ্ডলীর দ্বারা নির্বাচিত হন।



প্রশ্ন:৫
ভারতকে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বলা হয় কেন ?

উত্তর: 
ভারতের জনগণ প্রাপ্তবয়স্ক ভােটাধিকারের ভিত্তিতে যেসব প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করেন, তাদের দ্বারাই দেশের আইনসভা গঠিত হয় বলে ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতে কোনাে বংশানুক্রমিক রাজা বা রানির স্থান নেই, তার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীপরিষদ পরিচালিত শাসনব্যবস্থার জন্যই ভারতকে একটি প্রজাতান্ত্রিক দেশ বলা হয়।



প্রশ্ন:৬
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য একজন প্রার্থীর কী কী যােগ্যতা থাকা আবশ্যিক ?

উত্তর: 
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য একজন প্রার্থীকে— 
(১) ভারতীয় নাগরিক হতে হবে, 
(২) বয়স হতে হবে কমপক্ষে ৩৫ বছর, 
(৩) রাষ্ট্রের অধীন কোনাে লাভজনক পদে থাকা চলবে না, 
(৪) লােকসভার সদস্য হওয়ার যােগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।



প্রশ্ন:৭
ভারতীয় সংবিধানে যুক্তরাষ্ট্রীয় (ফেডারেশন) ব্যবস্থা কতটা রূপায়িত হয়েছে ?

উত্তর: 
ভারতীয় সংবিধানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত হয়নি, কারণ— 
(১) কোনাে রাজ্য সরকার কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করলে রাষ্ট্রপতি শাসনতান্ত্রিক অচল অবস্থা জারি করে ওই রাজ্যের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন। 
(২) কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের ক্ষেত্রে বিরােধ বাঁধলে কেন্দ্রের মত প্রাধান্য পায়।



প্রশ্ন:৮
ভারতের শাসনব্যবস্থার পরামর্শদাতা হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকার সংক্ষিপ্ত আলােচনা করাে।

উত্তর: 
পরামর্শদান এলাকা অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্ট ভারতের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতিকে কোনাে আইন বা ঘটনার ব্যাপারে পরামর্শ দিতে পারে অথবা বিভিন্ন সন্ধি বা চুক্তির ব্যাপারেও রাষ্ট্রপতি চাইলে সুপ্রিমকোর্ট পরামর্শ দিতে পারে।



প্রশ্ন:৯
সাধারণ নির্বাচন ঘটনার গুরুত্ব কী ?

উত্তর: 
(১) ভারতের সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ভারতবাসী নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রথম প্রয়ােগ করার সুযােগ পায়। 
(২) প্রথম সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংবিধানে বর্ণিত সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ প্রক্রিয়ার সূচনা হয়।



প্রশ্ন:১০
ভারতীয় সংবিধান অনুসারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদের ভূমিকা কী ?

উত্তর: 
ভারতীয় সংবিধানে কোথাও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীপরিষদের উল্লেখ না থাকলেও দেশ শাসনের ক্ষেত্রে শাসক দলের মন্ত্রীপরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যথা—শাসননীতি নির্ধারণ, প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের সময়সীমা নির্ধারণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয়সাধন এবং পার্লামেন্ট অনুসৃত রীতি মেনে শাসন বিভাগের উপর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব স্থাপন।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য

  নদী উপত্যকা এবং হিমবাহ উপত্যকার মধ্যে পার্থক্য Sl. No. নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকা 1 মেরু প্রদেশের বরফাবৃত অঞ্চল এবং উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। কেবলমাত্র বরফে ঢাকা উঁচু পার্বত্য অঞ্চল এবং হিমশীতল মেরু অঞ্চলেই হিমবাহ উপত্যকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 2 পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকা প্রধানত ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের মতো হয়। হিমবাহ উপত্যকা ইংরেজি ‘U’ অক্ষরের মতো হয়। 3 পার্বত্য ও উচ্চ সমভূমি অঞ্চলে নদী স্রোতের গতিবেগ প্রবল হয়, নিম্নভূমিতে নদী স্রোতের গতি ধীরে ধীরে কমে আসে। বেশিরভাগ সময়েই হিমবাহ অত্যন্ত ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। 4 নদী উপত্যকা আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হয়। হিমবাহ উপত্যকা সোজা পথে অগ্রসর হয়। 5 সাধারণত নদী উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য বেশি হয়। হিমবাহ উপত্যকার মোট দৈর্ঘ্য কম হয়। 6 নদীর সঞ্চয় কাজের ফলে নদী উপত্যকায় প্লাবনভূমি, স্বাভাবিক বাঁধ, বদ্বীপ প্রভৃতি ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়। ...

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ষাঁড়াষাঁড়ি বান

ষাঁড়াষাঁড়ি বান              বর্ষাকালে স্বাভাবিক কারণেই নদীতে জলের পরিমাণ ও বেগ বেশি থাকে। এই সময় জোয়ারের জল নদীর    মোহানায় প্রবেশ করলে জোয়ার ও নদীস্রোত—এই বিপরীতমুখী দুই স্রোতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর ফলে নদীর জল প্রবল শব্দ সহকারে প্রচণ্ড স্ফীত হয়ে ওঠে।  

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য কী ?

স্প্রিং তুলা ও সাধারণ তুলার মধ্যে পার্থক্য - স্প্রিং তুলা সাধারণ তুলা 1. স্প্রিং তুলা দিয়ে বস্তুর ভার বা ওজন মাপা হয়। 1. সাধারণ তুলায় বস্তুর ভর মাপা হয়। 2. খুব ভারী বস্তুর ওজন মাপা যায় না। 2. ভারী বস্তুর ভর মাপা যায়। 3. স্প্রিং তুলায় একটি বস্তুর ওজনের পাঠ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়। 3. সাধারণ তুলায় একটি বস্তুর ভরের ক্ষেত্রে সব স্থানে একই পাঠ পাওয়া যায়। 4. স্প্রিং তুলা যে স্থানে অংশাঙ্কিত হয় শুধু সেই স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 4. সাধারণ তুলা সব স্থানে সঠিক পাঠ দেয়। 5. স্প্রিং তুলার কার্যনীতি পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের জন্য স্প্রিং-এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 5. সাধারণ তুলা প্রথম শ্রেণির লিভারের নীতি অনুযায়ী কাজ করে।