Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন

দশম শ্রেণী-ভৌতবিজ্ঞান-পরিবেশের জন্য ভাবনা-ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ-এক নম্বরের প্রশ্ন  বায়ুমণ্ডলের স্তর ও গঠন Q. বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?   Α. পৃথিবী পৃষ্ঠকে আবৃত করে কয়েক হাজার কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত অদৃশ্য গ্যাসীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলে. Q.  বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ৭৮.০৯%. Q.  বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?   Α.  ২০.৯৫%. Q.  বায়ুমণ্ডলে আর্গন গ্যাসের শতকরা ভাগ কত?   Α.  ০.৯৩%. Q.  বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?   Α.  ০.০৩%. Q.  বায়ুর প্রকৃতি অনুসারে বায়ুমণ্ডলকে কটি স্তরে ভাগ করা যায়?   Α.  ছয়টি. Q.  ট্রপোস্ফিয়ার ভূপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত?   Α.  প্রায় ১৬-১৮ কিমি. Q.  উচ্চতা বাড়লে ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুর চাপের কী পরিবর্তন হয়?   Α.  বায়ুর চাপ কমে যায়. Q.  ট্রপোপজ কাকে বলে?   Α.  ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের দিকের স্থির উষ্ণতার অঞ্চলকে (১০-১৬ কিমি) ট্রপোপজ বলে. Q.  স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের উচ্চতা কত?   Α.  ২০ থেকে ৪৫ কিমি পর্যন...

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।। সাম্রাজ্যবাদ—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সেট-২

সাম্রাজ্যবাদ—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন


প্রশ্ন:১
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি দিনটি স্মরণীয় কেন ?

উত্তর: 
১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের লাহাের কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। এরপর থেকে স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হত।



প্রশ্ন:২
গান্ধিজি কবে ডান্ডি অভিযান শুরু করেছিলেন ? গান্ধিজি কীভাবে আইন-অমান্য করেন ?

উত্তর: 
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ সবরমতী আশ্রম থেকে গান্ধিজির নেতৃত্বে ডান্ডি অভিযান শুরু হয়েছিল। গান্ধিজি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৬ এপ্রিল ডান্ডির সমুদ্রতীরে পৌঁছে সমুদ্রের জল থেকে লবণ তৈরি করে আইন-অমান্য করেন।



প্রশ্ন:৩
অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করাে।

উত্তর: 
চৌরিচৌরায় উত্তেজিত জনতার রােষে ২২ জন পুলিশের মৃত্যু হলে গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।



প্রশ্ন:৪
খিলাফৎ আন্দোলনের লক্ষ্য কী ছিল ?

উত্তর: 
তুরস্কের খলিফা ছিলেন সমগ্র মুসলিম জগতের ধর্মগুরু। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক মিত্রশক্তির বিপক্ষে চলে যাওয়ায় মিত্রশক্তি তুরস্ক দখল করে খলিফাকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করে। খলিফাকে তাঁর পদে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলন শুরু হয়।



প্রশ্ন:৫
কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে (১৯২৯ খ্রি.) যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়, তার যে-কোনাে দুটি লেখাে।

উত্তর: 
কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলির অন্যতম দুটি ছিল— (১) যতদিন না পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জিত হচ্ছে, ততদিন প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। (২) ওইসময় থেকে জাতীয় আন্দোলনের লক্ষ্য স্থির হয়েছিল পূর্ণ স্বরাজ অর্জন।



প্রশ্ন:৬
‘ডান্ডিযাত্রা’র ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী ?

উত্তর: 
গান্ধিজি লবণ-আইন ভঙ্গ করার উদ্দেশ্যে ডান্ডি যাত্রার সূচনা করেন। ডান্ডিতে লবণ-আইন ভঙ্গ করে তিনি সমস্ত স্তরের মানুষকে আইন-অমান্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে আহ্বান জানান। কারণ লবণ ছিল সব মানুষেরই নিত্য ব্যবহার্য একটি দ্রব্য।



প্রশ্ন:৭
সাইমন কমিশন গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল ? কত খ্রিস্টাব্দে এই কমিশন গঠন করা হয় ?

উত্তর: 
সাইমন কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইনের পর্যালােচনা এবং নতুন নীতি নির্ধারণ। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে সাইমন কমিশন গঠন করা হয়।



প্রশ্ন:৮
গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফৎ আন্দোলন যুক্ত করলেন কেন ? গান্ধিজির কাছে চরকা কীসের প্রতীক ছিল ?

উত্তর: 
জাতীয় আন্দোলনে মুসলিম সম্প্রদায়কে শামিল করিয়ে ব্রিটিশ বিরােধিতাকে আরও তীব্র করার লক্ষ্যে গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফৎ আন্দোলনকে যুক্ত করেন। গান্ধিজির কাছে চরকা ছিল আত্মনির্ভরশীলতার প্রতীক।



প্রশ্ন:৯
‘সীমান্ত গান্ধি’ কাকে বলা হত এবং কেন ?

উত্তর: 
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খান আবদুল গফ্ফর খান সীমান্ত গান্ধি নামে পরিচিত ছিলেন।
গান্ধিজি প্রদর্শিত পথে সম্পূর্ণ অহিংস নীতি মেনে সীমান্ত প্রদেশে আইন-অমান্য আন্দোলন পরিচালনার জন্য তিনি সীমান্ত গান্ধি উপাধিতে ভূষিত হন।



প্রশ্ন:১০
সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের ক্ষোভের প্রধান কারণ কী ছিল ?

উত্তর: 
ভারতবাসীর শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত হয় সাইমন কমিশন। এই কমিশনে কোনাে ভারতীয় সদস্য না থাকায় ভারতীয়রা একে জাতীয় অমর্যাদা বলে মনে করে।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা

প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা             ‘মেখলা’ শব্দের মানে হল ‘কোমর বন্ধনী’। অসংখ্য আগ্নেয়গিরি মেখলা বা কোমর বন্ধনীর আকারে কোনো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে যখন অবস্থান করে, তখন তাকে ‘আগ্নেয় মেখলা’ বলা হয়।            ভূবিজ্ঞানীর মতে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে ও এশীয় মহাদেশীয় পাতের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাতের ক্রমাগত সংঘর্ষের ফলে পাত সীমায় ফাটল বরাবর অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে এবং আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়। 

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য

  ঘূর্ণবাত ও প্রতীপ ঘর্ণবাত-এর পার্থক্য Sl. No. ঘূর্ণবাত প্রতীপ ঘূর্ণবাত 1 ঘূর্ণবাতের নিম্নচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর উচ্চচাপ বলয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের উচ্চচাপ কেন্দ্রের চারিদিকে থাকে বায়ুর নিম্নচাপ বলয়। 2 নিম্নচাপ কেন্দ্রে বায়ু উষ্ণ, হালকা ও ঊর্ধ্বগামী হয়। উচ্চচাপ কেন্দ্রে বায়ু শীতল, ভারী ও নিম্নগামী হয়। 3 ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, ফলে বিস্তীর্ণ অঞ্চল অল্প সময়ে প্রভাবিত হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে না। 4 ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়-বৃষ্টি হয়। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের প্রভাবে আকাশ মেঘমুক্ত থাকে। বৃষ্টিপাত ও ঝড়-ঝঞ্ঝা ঘটে না। মাঝেমাঝে তুষারপাত ও কুয়াশার সৃষ্টি হয়৷ 5 ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ বিরাজ করে। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 6 চারিদিক থেকে ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রের দিকে বায়ু ছুটে আসে অর্থাৎ বায়ুপ্রবাহ কেন্দ্রমুখী। প্রতীপ ঘূর্ণবাতে কেন...

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—

মেকলের প্রতিবেদন (মেকলে মিনিটস্) ও ইনফিলট্রেশন থিয়োরি—                ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের সনদ আইনে ভারতীয়দের জন্য শিক্ষার ক্ষেত্রে ১ লক্ষ টাকা ব্যয় করার কথা বলা হয়। সেই টাকা প্রাচ্য না পাশ্চাত্য কোন শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে তা নিয়ে ভারতীয় ও ইউরোপীয়রা প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী দুটি গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই সমস্যার সমাধান কল্পে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক তাঁর আইন সচিব মেকলেকে ‘ পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি ’র সভাপতি পদে নিয়োগ করেন। মেকলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের স্বপক্ষে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি প্রস্তাব পেশ করেন। এই প্রতিবেদন মেকলে মিনিটস নামে খ্যাত।

রামমোহন রায়কে কেন ‘ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ’ মনে করা হয় ?

ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ রাজা রামমোহন রায়ই প্রথম আধুনিক যুক্তিবাদী মনন ও ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন ও সংস্কারমুক্ত ধর্মপ্রচারের কথা বলেন। এ ছাড়া পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি তাঁর সমর্থন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর রাজনৈতিক বিচার–বিশ্লেষণ তাঁকে ‘প্রথম আধুনিক মানুষ’ অভিধায় ভূষিত করেছে। এ প্রসঙ্গে রামমোহন রায়ের মৃত্যুশতবর্ষে (১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক ইংরেজি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “রামমোহন তাঁর আমলের বিশ্বের সমস্ত মানুষের মধ্যে ছিলেন একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সম্পূর্ণরূপে আধুনিক যুগের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন”।  রামমোহন রায়–ভারতের প্রথম আধুনিক মানুষ    (১) সমাজসংস্কারের প্রথম উদ্যোগের জন্য—  ‘সতীদাহ’ প্রথা রোধের লক্ষ্যে রামমোহন রায় সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের স্বাক্ষর সংবলিত এক আবেদনপত্র বড়োলাট উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের কাছে পাঠান। বেন্টিঙ্ক রামমোহনের আবেদনে সাড়া দিয়ে ১৭ নং রেগুলেশন (Regulation–XVII) জারি করে সতীদাহ প্রথা রদ করেন। এ ছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, জাতিভেদ প্রথা, কন্যাপণ, গঙ্গাসাগ...

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু

পলল ব্যজনী বা পলল শঙ্কু                     পর্বত্য অঞ্চল থেকে সমভূমিতে প্রবেশ করলে নদীর গতিপথের ঢাল হ্রাস পায়। ফলে নদীর ক্ষমতাও কমে যায়। উচ্চপ্রবাহের ক্ষয়িত পদার্থসমূহ (শিলাখণ্ড, নুড়ি, কাঁকর, বালি) সমভূমিতে প্রবেশের মুখে পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে শঙ্কু আকৃতির ভূমিরূপ গঠন করে। একে পলিশঙ্কু বলে। দেখতে হাত পাখার মতো হয় বলে একে পলল পাখা বা পলল ব্যজনীও বলে। 

[MCQ]Geography।।এশিয়া মহাদেশের জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ।।সেট ১।।solve.org.in

এশিয়া মহাদেশের জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ প্রশ্ন:১ গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টিপাত হয় : (a) উত্তর এশিয়ায় (b) মধ্য এশিয়ায় (c) দক্ষিণ এশিয়ায়

জাতীয়তাবাদের বিকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান কী ?

          বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–৯৪ খ্রি.) ছিলেন ঊনবিংশ শতকের অগ্রণী ঔপন্যাসিক ও প্রবন্ধকার। বঙ্কিমচন্দ্রের অধিকাংশ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল স্বদেশ ও দেশপ্রেম। বঙ্কিমচন্দ্রের সৃষ্টি ভারতীয় জাতীয়তাবোধের বিকাশে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিল। তাঁর ‘বন্দেমাতরম্’–মন্ত্র ছিল বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র। অরবিন্দ ঘোষ তাই বঙ্কিমকে ‘জাতীয়তাবোধের ঋত্বিক’ বলেছেন।

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (১৮৭৮ খ্রি.)

দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন প্রবর্তন সাম্রাজ্যবাদী গভর্নর–জেনারেল লর্ড লিটন দেশীয় পত্রপত্রিকার কণ্ঠরোধ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে দেশীয় ভাষা সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act, 1878) জারি করেন। পটভূমি ঊনবিংশ শতকে দেশীয় সংবাদপত্রগুলিতে সরকারি কর্মচারীদের অন্যায় আচরণ, অর্থনৈতিক শোষণ, দেশীয় সম্পদের বহির্গমন, দেশীয় শিল্পের অবক্ষয় ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। ইতিহাসবিদ এ.আর.দেশাইয়ের মতে, “ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে সংবাদপত্র হল এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম”।