ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
সাম্রাজ্যবাদ—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন
প্রশ্ন:১
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি দিনটি স্মরণীয় কেন ?
উত্তর:
১৯২৯ খ্রিস্টাব্দের লাহাের কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। এরপর থেকে স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হত।
প্রশ্ন:২
গান্ধিজি কবে ডান্ডি অভিযান শুরু করেছিলেন ? গান্ধিজি কীভাবে আইন-অমান্য করেন ?
উত্তর:
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ সবরমতী আশ্রম থেকে গান্ধিজির নেতৃত্বে ডান্ডি অভিযান শুরু হয়েছিল। গান্ধিজি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৬ এপ্রিল ডান্ডির সমুদ্রতীরে পৌঁছে সমুদ্রের জল থেকে লবণ তৈরি করে আইন-অমান্য করেন।
প্রশ্ন:৩
অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করাে।
উত্তর:
চৌরিচৌরায় উত্তেজিত জনতার রােষে ২২ জন পুলিশের মৃত্যু হলে গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
প্রশ্ন:৪
খিলাফৎ আন্দোলনের লক্ষ্য কী ছিল ?
উত্তর:
তুরস্কের খলিফা ছিলেন সমগ্র মুসলিম জগতের ধর্মগুরু। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্ক মিত্রশক্তির বিপক্ষে চলে যাওয়ায় মিত্রশক্তি তুরস্ক দখল করে খলিফাকে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করে। খলিফাকে তাঁর পদে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভারতে খিলাফৎ আন্দোলন শুরু হয়।
প্রশ্ন:৫
কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে (১৯২৯ খ্রি.) যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়, তার যে-কোনাে দুটি লেখাে।
উত্তর:
কংগ্রেসের লাহাের অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলির অন্যতম দুটি ছিল— (১) যতদিন না পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জিত হচ্ছে, ততদিন প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। (২) ওইসময় থেকে জাতীয় আন্দোলনের লক্ষ্য স্থির হয়েছিল পূর্ণ স্বরাজ অর্জন।
প্রশ্ন:৬
‘ডান্ডিযাত্রা’র ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী ?
উত্তর:
গান্ধিজি লবণ-আইন ভঙ্গ করার উদ্দেশ্যে ডান্ডি যাত্রার সূচনা করেন। ডান্ডিতে লবণ-আইন ভঙ্গ করে তিনি সমস্ত স্তরের মানুষকে আইন-অমান্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে আহ্বান জানান। কারণ লবণ ছিল সব মানুষেরই নিত্য ব্যবহার্য একটি দ্রব্য।
প্রশ্ন:৭
সাইমন কমিশন গঠনের উদ্দেশ্য কী ছিল ? কত খ্রিস্টাব্দে এই কমিশন গঠন করা হয় ?
উত্তর:
সাইমন কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইনের পর্যালােচনা এবং নতুন নীতি নির্ধারণ। ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে সাইমন কমিশন গঠন করা হয়।
প্রশ্ন:৮
গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফৎ আন্দোলন যুক্ত করলেন কেন ? গান্ধিজির কাছে চরকা কীসের প্রতীক ছিল ?
উত্তর:
জাতীয় আন্দোলনে মুসলিম সম্প্রদায়কে শামিল করিয়ে ব্রিটিশ বিরােধিতাকে আরও তীব্র করার লক্ষ্যে গান্ধিজি অসহযােগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফৎ আন্দোলনকে যুক্ত করেন। গান্ধিজির কাছে চরকা ছিল আত্মনির্ভরশীলতার প্রতীক।
প্রশ্ন:৯
‘সীমান্ত গান্ধি’ কাকে বলা হত এবং কেন ?
উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের খান আবদুল গফ্ফর খান সীমান্ত গান্ধি নামে পরিচিত ছিলেন।
গান্ধিজি প্রদর্শিত পথে সম্পূর্ণ অহিংস নীতি মেনে সীমান্ত প্রদেশে আইন-অমান্য আন্দোলন পরিচালনার জন্য তিনি সীমান্ত গান্ধি উপাধিতে ভূষিত হন।
প্রশ্ন:১০
সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের ক্ষোভের প্রধান কারণ কী ছিল ?
উত্তর:
ভারতবাসীর শাসনতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত হয় সাইমন কমিশন। এই কমিশনে কোনাে ভারতীয় সদস্য না থাকায় ভারতীয়রা একে জাতীয় অমর্যাদা বলে মনে করে।

Comments
Post a Comment