Skip to main content

প্রস্তুতি শুরু করা যাক [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBSSC WBPSC WBPRB WBCS

সাম্প্রতিক পোস্ট

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

পশ্চিমবঙ্গের প্রধান শিক্ষা বোর্ডসমূহ [খুব তাড়াতাড়ি আসছে]

WBBPE WBBSE WBCHSE WBMSC

ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।।বিশ শতকের প্রথমার্ধে জাতীয় আন্দোলন, সেট-৪

বিশ শতকের প্রথমার্ধে জাতীয় আন্দোলন


প্রশ্ন:১
মাস্টারদা কাকে বলা হত ? তিনি স্মরণীয় কেন ?

উত্তর: 
বিপ্লবী সূর্য সেনকে মাস্টারদা বলা হত। তিনি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।



প্রশ্ন:২
সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা (১৯৩২ খ্রি.) কী ?

উত্তর: 
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী র‍্যামসে ম্যাকডােনাল্ড ভারতবাসীর ঐক্যে ভাঙন ধরানাের জন্য ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দের ১৬ আগস্ট সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি ঘােষণা করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় আন্দোলনকে দুর্বল করা। এই নীতিতে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম, শিখ, অ্যাংলাে ইন্ডিয়ান প্রভৃতি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে যেমন আলাদা নির্বাচনের অধিকার দেওয়া হয়, তেমনি অনুন্নত হিন্দুদেরও পৃথক জাতি হিসেবে ঘােষণা করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্যে ভাঙন ধরানাের চেষ্টা করা হয়। এক কথায় এই ঘােষণায় সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি জটিল হয়।



প্রশ্ন:৩
‘অলিন্দ যুদ্ধ’ কাকে বলে ?

উত্তর: 
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেম্বর বাংলার তিন তরুণ বিপ্লৰী বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত ‘ব্রিটিশ শাসনের কেন্দ্র রাইটার্স বিল্ডিং’ অভিযান করেন। এখানে তাঁরা ইনস্পেকটর জেনারেল সিম্পসনকে হত্যা করেন। এই ঘটনা ‘অলিন্দ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।



প্রশ্ন:৪
ক্রিপস্ মিশনের উদ্দেশ্য কী ছিল ?

উত্তর: 
ক্রিপস্ মিশনের উদ্দেশ্য ছিল— 
(১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র পক্ষকে শক্তিশালী করার জন্য ভারতবাসীর কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও সামারিক সাহায্য আদায় করা। 
২) ভারতীয়দের সংবিধান-সংক্রান্ত বিষয়ে আলােচনা করা।



প্রশ্ন:৫
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ত্রিপুরি অধিবেশনে কী কী ঘটনাক্রম ঘটে ?

উত্তর:
(১) জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদে মনােনীত হন সুভাষচন্দ্র বসু কিন্তু গান্ধিজি এই মনােনয়ন মেনে না নিয়ে সুভাষের বিপরীতে পট্টভি সীতারামাইয়াকে দাঁড় করান। 
(২) সুভাষ সীতারামাইয়াকে ২০৩ ভােটে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের জন্য জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদে নির্বাচিত হন। 
(৩) গান্ধিজির নির্দেশ মেনে কংগ্রেস কার্যকরী সমিতির ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করলে সুভাষচন্দ্রও জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন।



প্রশ্ন:৬
ক্রিপস্ কে ছিলেন ? কত সালে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে ?

উত্তর: 
স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস্ ছিলেন ব্রিটিশ মন্ত্রীসভার সদস্য। ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ ক্রিপস্ মিশন ভারতে আসে।



প্রশ্ন:৭
কে, কবে ‘সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা’ নীতি ঘােষণা করেন ?

উত্তর: 
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী র‍্যামসে ম্যাকডােনাল্ড ‘সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা’ নীতি ঘােষণা করেন। ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দের ১৬ আগস্ট তিনি এই নীতি ঘােষণা করেছিলেন।



প্রশ্ন:৮
সুভাষচন্দ্র কেন জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি পদ ত্যাগ করেছিলেন ?

উত্তর: 
জাতীয় আন্দোলনের অভিমুখ নিয়ে গান্ধিজি ও সুভাষচন্দ্রের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য ছিল। এই অবস্থায় হরিপুরা ও ত্রিপুরি অধিবেশনে সুভাষচন্দ্র পরপর দুবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। দ্বিতীয়বার সুভাষচন্দ্রের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর গান্ধিজির নির্দেশে কংগ্রেসের কার্যকরী সমিতির ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করলে সুভাষচন্দ্রও সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন।



প্রশ্ন:৯
অলিন্দ যুদ্ধ কবে এবং কাদের নেতৃত্বে সংঘটিত হয় ?

উত্তর: 
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ৮ ডিসেম্বর অলিন্দ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। তরুণ বিপ্লবীত্রয় বিনয় বসু, বাদল (সুবীর) গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তের নেতৃত্বে অলিন্দ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।



প্রশ্ন:১০
কখন ও কার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ?

উত্তর: 
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেন।

Comments

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নির্বাচিত ৫০টি উক্তি 🗇 "নারীর প্রেম পুরুষের কাছে শুধু আশ্রয়, কিন্তু পুরুষের প্রেম নারীর কাছে জীবন।" 🗇 "সংসারে কেউ কাউকে ভালোবাসে না, শুধু ভালোবাসার অভিনয় করে।" 🗇 "যে জন ভালোবাসে, সে জন জানে ভালোবাসার মূল্য।" 🗇 "পুরুষের মনস্তত্ত্বই এই, তারা যাকে বেশি ভালোবাসে, তাকেই বেশি কষ্ট দেয়।" 🗇 "স্নেহ ভালোবাসার কাঙাল, তাই দুর্বলকে সে বেশি টানে।"

ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য

  ভরা কোটাল ও মরা কোটালের পার্থক্য Sl. No. ভরা কোটাল মরা কোটাল 1 চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে চাঁদ ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণ পৃথিবীর একই স্থানের উপর কার্যকরী হয়, ফলে ভরা কোটালের সৃষ্টি হয়। চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য সমকোণী অবস্থানে থাকলে পৃথিবীর উপর চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ পরস্পর বিপরীত ও বিরোধী হয়, ফলে মরা কোটালের সৃষ্টি হয়। 2 মানবজীবনের উপর ভরা কোটালে (নদী-মোহানা, নৌ-চলাচল, মাছ আহরণ ইত্যাদি)-র প্রভাব বেশি। মানবজীবনের উপর মরা কোটালের প্রভাব কম। 3 ভরা কোটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে। মরা কোটাল হয় শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে। 4 ভরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতল সবচেয়ে বেশী স্ফীত হয়। মরা কোটালের ক্ষেত্রে সাগর-মহাসাগরের জলতলের স্ফীতি সবচেয়ে কম হয়। 5 অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবীর একই পাশে একই সরলরেখায় চাঁদ ও সূর্য অবস্থান করে। পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষের অষ্টমীত...

[VSQ]Geography।।সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ভূগোল VSQs।।সেট ৮

ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পূর্ববর্তী সেটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।👈  প্রশ্নঃ১ মৃত্তিকাকে উর্বর কে করে ? উঃ   জৈব পদার্থ ।

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন

নাট্যাভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন আইন প্রবর্তনের কারণ ঊনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে জাতীয়তাবাদী নাটক রচনা করে ব্রিটিশের শোষণ ও অপশাসনের বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত করার কাজ শুরু হয়। অমৃতলাল বসুর ‘চা–কর দর্পণ’, দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকে অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ সাহেবদের মুখোশ খুলে দেওয়া হয়। অমৃতলাল বসু ও উপেন্দ্রনাথ দাস ‘হনুমান চরিত’ নামক প্রহসন নাটকে ইংরেজের প্রতি ব্যঙ্গবিদ্রুপ প্রকাশ করেন। গ্রামেগঞ্জে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব সৃষ্টির কাজে নাটকগুলি সাফল্য পায়। সরকার দমনমূলক আইন জারি করে দেশাত্মবোধক নাটকের প্রচার বন্ধ করে দিতে উদ্যত হয়।

[MCQ]রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা। সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য।।সেট-৩

 রোম, মিশর এবং ভারতের দাস অর্থনীতি ও ক্রীতদাস প্রথা।।সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতি, বানিজ্য   প্রশ্ন:১ রােমের ক্রীতদাস প্রথার অন্যতম ফল ছিল— (a) সেখানকার কৃষি উৎপাদন হ্রাস (b) সেখানকার খনিজ উৎপাদন হ্রাস (c) সেখানকার শিল্পোৎপাদন হ্রাস (d) সেখানকার সামরিক দক্ষতা হ্রাস

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।

নদীর উচ্চপ্রবাহে ক্ষয়কার্যের ফলে যে ভূমিরূপ গড়ে ওঠে, তার বর্ণনা দাও।   অথবা,  একটি আদর্শ নদীর বিভিন্ন ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত তিনটি ভূমিরূপের চিত্রসহ সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  অথবা,  নদীপ্রবাহের যে-কোনও একটি অংশে নদীর কার্যের বিবরণ দাও।             উচ্চপ্রবাহ বা পার্বত্য প্রবাহে নদীর প্রধান কাজ হল ক্ষয় করা। এর সঙ্গে বহন ও অতি সামান্য পরিমান সঞ্চয়কার্য ও করে থাকে। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমির ঢাল বেশি থাকে বলে এই অংশে নদীপথের ঢাল খুব বেশি হয়, ফলে নদীর স্রোতও খুব বেশি হয়। স্বভাবতই পার্বত্য অঞ্চলে নদী তার প্রবল জলস্রোতের সাহায্যে কঠিন পাথর বা শিলাখণ্ডকে ক্ষয় করে এবং ক্ষয়জাত পদার্থ ও প্রস্তরখণ্ডকে সবেগে বহনও করে। উচ্চ প্রবাহে নদীর এই ক্ষয়কার্য প্রধানত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা সম্পন্ন হয়।  এই প্রক্রিয়া গুলি হলো - অবঘর্ষ ক্ষয়, ঘর্ষণ ক্ষয়, জলপ্রবাহ ক্ষয় ও দ্রবণ ক্ষয়।  নদীর ক্ষয়কাজের ফলে বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়, যেমন: (১) ইংরেজি "।" এবং "V" অক্ষরের মতো নদী উপত্যকা:       পার্বত্য গতিপথের প্রথম অবস্থায় প্রবল বেগে নদী তার গতিপথের ...

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর,(For WBCS & WBPSC Miscellaneous Examination) সেট 12

ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাজ্যসভার সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ—   উত্তরঃ ৬ বছর। প্রশ্নঃ রাজ্যপালকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান? উত্তরঃ   সংশ্লিষ্ট রাজ্য যে হাইকোর্টের এক্তিয়ারভুক্ত সেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো।

ইতিহাসের উপাদান বলতে কী বোঝো? ইতিহাসের উপাদানগুলির শ্রেণিবিভাগ করো। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব বিস্তারিত আলোচনা করো। ১. ইতিহাসের উপাদান             ইতিহাস হলো মানব সভ্যতার অগ্রগতির ধারাবাহিক বিবরণ। কিন্তু এই বিবরণ কল্পনাপ্রসূত নয়; এটি নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণের ওপর। যে সমস্ত উৎস, সাক্ষ্য বা প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ঐতিহাসিকরা অতীত দিনের ঘটনাবলী পুনর্গঠন করেন, তাকেই 'ইতিহাসের উপাদান' (Sources of History) বলা হয়। উপাদান ছাড়া ইতিহাস রচনা করা অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার শামিল। ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বা আর. সি. মজুমদার সকলেই একমত যে, প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের ক্ষেত্রে উপাদানের গুরুত্ব অপরিসীম। ২. ইতিহাসের উপাদানের শ্রেণিবিভাগ (Classification of Historical Sources)           ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়—  (ক) সাহিত্যিক উপাদান এবং  (খ) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান।  তবে আধুনিক যুগে এর সাথে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হয়েছে। নিচে এর বিস্তারিত দেওয়া হলো: ক) সাহিত্যিক উপাদান (Literary Sources):...

[MCQ]রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা।।সেট ৬

রাজনীতির বিবর্তন - শাসনতান্ত্রিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা ⮞ ⮞ ⮞ ⮞ প্রশ্ন:১ রামায়ণে কয়টি জনপদের উল্লেখ আছে ? (a) ১৬ টি (b) ১৮ টি (c) ২৫ টি (d) ২৭ টি

ভারতের জলসেচ ব্যবস্থা

ভারতে প্রধানত তিনটি পদ্ধতির দ্বারা জলসেচ করা হয়ে থাকে ১. কূপ ও নলকূপ  ২. জলাশয়  ৩. সেচখাল  কূপ ও নলকূপ - প্রায় ৫৮.৫% সেচ খাল -  প্রায় ২৫.৮ % জলাশয় - প্রায় ৩.৩ % অন্যান্য - প্রায় ১২.১%