ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
কালবৈশাখী
গ্রীষ্মকালে (এপ্রিল-মে মাসে) বিকলের দিকে পূর্বভারতে বিশেষত পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও বাংলাদেশে মাঝেমাঝে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে বজ্রবিদ্যুৎ ও বৃষ্টিপাতসহ এক তীব্র ঝড় সংঘটিত হয়। একেই কালবৈশাখী বলে। ‘কাল’ অর্থ ‘অশুভ’ এবং বৈশাখ মাসে ঘটে বলে একে ‘কালবৈশাখী’ বলে৷ তবে কালবৈশাখী বলা হলেও শুধু বৈশাখ মাস নয়, ফাল্গুনের শেষ থেকে জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি পর্যন্ত এই ঝড়ের আগমন হয়।
কালবৈশাখী একটি আকস্মিক বায়ুপ্রবাহ। গ্রীষ্মকালের শুরুতে এপ্রিল-মে মাসে ছোটোনাগপুর মালভূমি ও পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসন্নিহিত অঞ্চল প্রখর সূর্যতাপে দ্রুত উত্তপ্ত হয়, ফলে সেখানে স্থানীয়ভাবে গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হলে, সেই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রচণ্ড বেগে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং উত্তরের শীতল বায়ু ছুটে আসে। এই দুই বিপরীতধর্মী বায়ুপ্রবাহের সংঘর্ষের ফলে এই ঘূর্ণবাতের সৃষ্টি হয়। কালবৈশাখীর ঘূর্ণবাত সাধারণত উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ছুটে আসে, তাই একে ইংরেজিতে ‘Nor Wester’ (নর-ওয়েস্টার) বলা হয়। কালবৈশাখীর বায়ু বেশ ঠান্ডা, তাই এই বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড উষ্ণতা একলাফে অনেকটা কমে যায়। গরমের তীব্রতা কিছুটা কমে। কিন্তু, আরামদায়ক আবহাওয়া সৃষ্টি হলেও তীব্র ঝড়ে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতিও হয়। কালবৈশাখীর বৃষ্টিপাত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে আউশ ধান ও পাটচাষের পক্ষে উপকারী হয়।
Comments
Post a Comment