বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
ডেকান ট্র্যাপ
‘ডেকান’ (Deccan) শব্দের অর্থ ‘দাক্ষিণাত্য’। সুইডিস শব্দ ‘ট্র্যাপ’ কথাটির অর্থ হল ‘ধাপ’ বা ‘সিঁড়ি’। ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর পশ্চিমাংশে (৩,০০,০০০ বর্গমাইল) প্রায় ১৫ কোটি বছর আগে (ক্রিটেসিয়াস যুগে) কোনো রকম বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে ভূপৃষ্ঠের ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের ম্যাগমা নিঃশব্দে লাভা রূপে ক্রমাগত বেরিয়ে এসে ভূপৃষ্ঠের ওপরে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় ও পরবর্তীকালে শীতল ও কঠিন হয়ে লাভা সমভূমি গঠন করে।
ভারতের মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ ও কাথিয়াওয়াড়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এইরকম লাভা গঠিত মালভূমি দেখা যায়। পরবর্তীকালে সূর্যকিরণ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ, নদীস্রোত প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের ওপরের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এক ধরনের বিশেষ ভূমিরূপের সৃষ্টি করেছে। এই বিস্তীর্ণ মালভূমির ওপরের অংশ টেবিলের মতো সমতল এবং পার্শ্বদেশ সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে নীচে নেমে গেছে। এই বিশেষ আকৃতির জন্যেই দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তর-পশ্চিম অংশকে ডেকানট্র্যাপ বলা হয়। প্রধানত ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত হওয়ায় এই অঞ্চলের পাহাড়ের চূড়াগুলি চ্যাপ্টা হয়। গোটা ডেকানট্র্যাপ অঞ্চলটি পশ্চিম দিক থেকে পূর্বদিকে সিঁড়ির মতো ধাপে ধাপে ঢালু হয়ে গিয়েছে।
Comments
Post a Comment