ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
হিমপ্রাচীর
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে সুমেরু অঞ্চল থেকে আগত লাব্রাডর স্রোতের শীতল ও গাঢ় সবুজ রঙের জল এবং উপসাগরীয় স্রোতের উষ্ণ ও গাঢ় নীল জল বেশ কিছু দূর পর্যন্ত পাশাপাশি কিন্তু বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এই দুই বিপরীতমুখী স্রোতের মাঝে একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা স্পষ্ট দেখা যায়, এই সীমারেখা হিমপ্রাচীর হিসেবে পরিচিত।
যদিও সমুদ্র স্রোতের ‘সবুজ’ বা ‘নীল’ রঙের সঙ্গে ‘হিম’ বা ‘প্রাচীর’ শব্দ দুটির সম্পর্ক স্পষ্ট নয়। তাই ভিন্ন মত অনুসারে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত পাশাপাশি প্রবাহিত হওয়ায়, উষ্ণ স্রোতের উপরিভাগে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু, শীতল স্রোতের উপরিভাগে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এলে ঘনীভূত হয়ে ঘন কুয়াশা তৈরি করে। উভয় স্রোতের মিলনরেখা বরাবর ঘন কুয়াশা দূর থেকে প্রাচীরের মতো দেখায় যার দুইদিকে বিপরীতমুখী, ভিন্ন ধর্মী দুটি স্রোত প্রবাহিত হয়। তীব্র শীতলতার সংস্পর্শে প্রাচীর সদৃশ কুয়াশার আবরণকেই হিমপ্রাচীর বলে। বিপরীতমুখী দুই সমুদ্রস্রোতের উষ্ণতার পার্থক্যের জন্য এই অঞ্চলে প্রায়ই ঘন কুয়াশা ও প্রবল ঝড়বৃষ্টি হয়। হিমপ্রাচীর এই অঞ্চলে সামুদ্রিক যান চলাচলে বাধার সৃষ্টি করে।
Comments
Post a Comment