বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, রাজধানী ও মুদ্রার তালিকা ১. এশিয়া (Asia) দেশ (Country) রাজধানী (Capital) মুদ্রা (Currency) আফগানিস্তান (Afghanistan) কাবুল (Kabul) আফগান আফগানি আর্মেনিয়া (Armenia) ইয়েরেভান (Yerevan) আর্মেনিয়ান ড্র্যাম আজারবাইজান (Azerbaijan) বাকু (Baku) আজারবাইজানি মানাত বাহরাইন (Bahrain) মানামা (Manama) বাহরাইনি দিনার বাংলাদেশ (Bangladesh) ঢাকা (Dhaka) টাকা ভুটান (Bhutan) থিম্পু (Thimphu) ভুটানিজ গূল্ট্রুম ব্রুনেই (Brunei) বন্দর সেরি বেগাওয়ান ব্রুনেই ডলার কম্বোডিয়া (Cambodia) নমপেন (Phnom Penh) কম্বোডিয়ান রিয়েল চীন (China) বেইজিং (Beijing) রেনমিনবি / ইউয়ান সাইপ্রাস (Cyprus) নিকোশিয়া (Nicosia) ইউরো জর্জিয়া (Georgia) তিবিলিসি (Tbilisi) লারি ...
অধঃক্ষেপণ
ঊর্ধ্বগামী জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু অতিরিক্ত শীতলতার সংস্পর্শে এলে ঘনীভূত হয় এবং জলকণা ও তুষারকণায় পরিণত হয়। এই ক্ষুদ্র জলকণা ও তুষারকণাগুলি ক্রমশ আয়তনে বড়ো ও ওজনে ভারী হলে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে। সুতরাং, জলীয়ুবাষ্পপূর্ণ বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে, কঠিন বা তরল আকারে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে একত্রে অধঃক্ষেপণ বলে।
সূর্যের উত্তাপে ভূপৃষ্ঠের সমুদ্র, হ্রদ, নদী, পুকুর, খাল, বিল প্রভৃতির জলরাশি জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়ে হাল্কা হওয়ার দরুন ঊর্ধ্বগামী হয়। ওপরের বায়ুমণ্ডলের প্রবল শৈত্যের সংস্পর্শে এলে ওই আর্দ্র বায়ু তখন আর জলীয়বাষ্প ধরে রাখতে পারে না এবং তখন তা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে
(১) বৃষ্টিপাত,
(২) তুষারপাত অথবা
(৩) শিলাবৃষ্টিরূপে ভূপৃষ্ঠে এসে পড়ে।
অধঃক্ষেপণের শ্রেণিবিভাগ—অধঃক্ষেপণ তরল এবং কঠিন এই দু'ভাবেই হয়। তরল অধঃক্ষেপণ হল বৃষ্টিপাত আর কঠিন অধঃক্ষেপণ হল তুষারপাত, স্লিট বা শিলাবৃষ্টি। বেশিরভাগ অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিপাত হিসেবে পরিচিত হলেও সব রকমের অধঃক্ষেপণই বৃষ্টিপাত নয়।
মনে রাখা দরকার, জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ভূপৃষ্ঠে না এসে পৌঁছালে তাকে অধঃক্ষেপণ বলা হয় না। সেই জন্য তুহিন, কুয়াশা প্রভৃতিকে অধঃক্ষেপণ বলা যায় না।
অধঃক্ষেপণের গুরুত্ব—
(১) অধঃক্ষেপণের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য রূপ হল—বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতের জন্য জীবজগৎ ও উদ্ভিদজগতের সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
(২) অধঃক্ষেপণের বিভিন্ন অবস্থা বছরের বিভিন্ন ঋতুতে স্বতন্ত্র বৈচিত্র্য এনেছে।
(৩) আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক হিসেবে অধঃক্ষেপণের গুরুত্ব যথেষ্ট।
(৪) অধঃক্ষেপণ তথা বৃষ্টিপাতের তারতম্য ঘটলে বিভিন্ন অঞ্চলের জলবায়ুর প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটে।
(৫) বৃষ্টিপাত না ঘটলে কৃষির উন্নতি বা বিস্তার সম্ভব হত না।
(৬) বৃষ্টিপাত না ঘটলে ভূগর্ভস্থ জলস্তরের মাত্রা অনেক গভীরে চলে যেত।
Comments
Post a Comment