ভারতের সংবিধান থেকে বাছাই করা প্রশ্নোত্তর প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন বিবাদ দেখা দিলে তার নিষ্পত্তি করে— উত্তরঃ সুপ্রিমকোর্ট। প্রশ্নঃ রাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার কতজন সদস্যকে মনোনীত করেন? উত্তরঃ ১২ জন। প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন? উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। প্রশ্নঃ কোন সাংবিধানিক পদাধিকারী বৈদেশিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন? উত্তরঃ রাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ কোন বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিতে বাধ্য থাকেন? উত্তরঃ অর্থবিলে। প্রশ্নঃ রাজ্যসভায় সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ উপরাষ্ট্রপতি। প্রশ্নঃ ভারতের উপরাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন— উত্তরঃ লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যগণ। প্রশ্নঃ উপরাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সভাপতিত্ব করেন— উত্তরঃ রাজ্যসভায়। প্রশ্নঃ কোন প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিত্ব থাকাকালীন কোনওদিন সংসদে যাননি? উত্তরঃ চৌধুরী চরণ সিং। প্রশ্নঃ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য পদপ্রার্থীর আবশ্যিক ন্যূনত...
ঘূর্ণবাত বৃষ্টি বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি
জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত নিম্নচাপের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ওপরে উঠে শীতল হয়ে যে বৃষ্টিপাত ঘটায়, তাকে ঘূর্ণবাত বা ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বলে। কোনো স্থানে প্রবল নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে চারদিক থেকে ছুটে আসা শুকনো, ঠান্ডা ও ভারী বাতাসের ওপর জলীয়বাষ্পপূর্ণ গরম বাতাস উঠে যাওয়ার জন্যই ঘূর্ণবাত বৃষ্টিপাতের সৃষ্টি হয়। ঘূর্ণবাত বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে ঝিরঝির করে পড়ে। পৃথিবীর দুটি পৃথক অঞ্চলে ঘূর্ণবাতজনিত বৃষ্টি বৃষ্টি হয়ে থাকে।
(১) ক্রান্তীয় ও উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের ঘূর্ণবৃষ্টি—
স্বল্প পরিসর স্থানে বায়ুর উষ্ণতা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে গভীর নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু কুণ্ডলী আকারে পাক খেতে খেতে নিম্নচাপ কেন্দ্রে প্রবেশ করে। ওই বায়ু উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে ঊর্ধ্বগামী হলে, বায়ুস্থিত জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
উদাহরণ–পশ্চিমবঙ্গে এপ্রিল-মে মাসে কালবৈশাখী ঝড়ের জন্য এই প্রকার বৃষ্টিপাত ঘটে।
(২) শীতল নাতিশীতোষ্ণ মণ্ডলের ঘূর্ণবৃষ্টি—
উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ও শীতল ও শুষ্ক বায়ু বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে মুখোমুখি হলে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু, শীতল ও ভারী বায়ুর ওপরে উঠতে থাকে এবং ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। দুই ভিন্নধর্মী বায়ুপ্রবাহের সংযোগরেখা বা সীমান্ত অঞ্চলে এই বৃষ্টিপাত ঘটে বলে একে সীমান্ত বৃষ্টি (Frontal Rain)-ও বলা হয়। নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ঘূর্ণবৃষ্টি দীর্ঘক্ষণ ধরে টিপটিপ করে পড়ে। জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে মাঝেমধ্যেই ঘূর্ণবৃষ্টি দেখা যায়।
উদাহরণ–ইউরোপের নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এই প্রকার বৃষ্টিপাত ঘটে।
Comments
Post a Comment