পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
সমুদ্রবায়ু
স্থলভাগ (কঠিন) ও জলভাগ (তরল) এর প্রকৃতিগত পার্থক্যের কারণে দিনরাত্রি ভেদে স্থল ও জলভাগের ওপর তাপ ও চাপের পার্থক্যে এই প্রকার বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয়।
সমুদ্র, হ্রদ অথবা বিস্তৃত জলভাগ থেকে যে বায়ু সাধারণত দিনের বেলায় স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে সমুদ্রবায়ু বলে।
সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে দিনেরবেলা স্থলভাগ, জলভাগ অপেক্ষা বেশি উত্তপ্ত হয়। ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ু উত্তপ্ত স্থলভাগের সংস্পর্শে, উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। জলভাগ অপেক্ষাকৃত কম উত্তপ্ত হওয়ায় জলভাগের ওপরে বায়ুর চাপ তুলনায় বেশি থাকে। তাই, দিনেরবেলা অপেক্ষাকৃত উচ্চচাপযুক্ত জলভাগ থেকে নিম্নচাপযুক্ত স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। সমুদ্র থেকে প্রবাহিত হয় বলে এই বায়ুকে ‘সমুদ্রবায়ু’ বলে।
সমুদ্রবায়ু সাধারণত দিনের বেলায় প্রবাহিত হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বায়ুর বেগ বাড়তে থাকে এবং সন্ধ্যাবেলায় সব থেকে বেগে প্রবাহিত হয়ে থাকে। সমুদ্রবায়ুর প্রভাবে সমুদ্রোপকূল বা বিস্তৃত জলভাগের তীরবর্তী অঞ্চলে সমভাবাপন্ন বা নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু দেখা যায়।
Comments
Post a Comment