পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
করমণ্ডল উপকূল
কৃষ্ণানদীর বদ্বীপের পশ্চিমভাগ থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলভাগকে করমণ্ডল উপকূল বলে। এছাড়া, পুলিকট উপহ্রদ থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলকে তামিলনাড়ু উপকূলও বলা হয়।
তামিলনাড়ু উপকূলের কাবেরী নদী গঠিত বিশাল বদ্বীপ অঞ্চলটি মোহানা থেকে পশ্চিমদিকে দাক্ষিণাত্যের স্থলভাগের মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১০০ কিলোমিটার প্রসারিত হয়েছে। তামিলনাড়ু উপকূলে পুলিকট উপহ্রদ এবং গোদাবরী ও কৃষ্ণার বদ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে কোলারু হ্রদ অবস্থান করছে।
কাবেরী নদীর বদ্বীপ, ক্যালিমিয়ার অন্তরীপ, পাম্বান দ্বীপ ও কুমারিকা অন্তরীপ এই উপকূল সমভূমির উল্লেখযোগ্য অংশ। এ ছাড়া, তামিলনাড়ুর এন্নোর ও মহাবলিপুরমের কাছে দুটি হ্রদ রয়েছে। ক্যালিমিয়ার অন্তরীপ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে অবস্থান করছে পকপ্রণালী। চেন্নাই ও তুতিকোরিন এই উপকূলের উল্লেখযোগ্য বন্দর, শহর ও শিল্পকেন্দ্র। কাবেরী বদ্বীপ অঞ্চলে বছরে দুবার বৃষ্টি ও সেখানকার ভূমি পলিগঠিত হওয়ায় প্রচুর ধান উৎপন্ন হয়। তাই এই অঞ্চলকে ‘দক্ষিণ ভারতের শস্যভাণ্ডার’ বলে। এই উপকূলভাগে অবস্থিত বালিয়াড়ির গড় উচ্চতা ৩০–৬০ মিটার। বালিয়াড়িগুলি স্থানীয় ভাষায় ‘থেড়িস্’ নামে পরিচিত।
Comments
Post a Comment