পরিবেশের জন্য ভাবনা (Concern About Our Environment) ১. বায়ুমণ্ডলের গঠন (Structure of the Atmosphere) উচ্চতা ও উষ্ণতার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বায়ুমণ্ডলকে প্রধানত ছয়টি স্তরে ভাগ করা হয়েছে:
মেঘালয় মালভূমি
উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যে মেঘালয় মালভূমি অবস্থিত। মেঘালয় মালভূমি পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১০০ কিলোমিটার প্রশস্ত। এই মালভূমি অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২২৫০০ বর্গকিলোমিটার। মেঘালয় প্রদেশে অবস্থিত গারো, খাসি, জয়ন্তিয়া ও মিকির পাহাড়ি অঞ্চল নিয়ে গঠিত মেঘালয় মালভূমিটি হল দাক্ষিণাত্য মালভূমির একটি বিচ্ছিন্ন অংশ। ক্রমাগত ভূ-আন্দোলন ও চ্যুতির ফলে ছোটোনাগপুর ও মেঘালয় মালভূমি দুটি পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে সরে যায়। মধ্যবর্তী অংশ গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের পলি দ্বারা ভরাট হওয়ায় মেঘালয় মালভূমিটি বর্তমানে দাক্ষিণাত্যের মালভূমি থেকে বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করছে। এই মালভূমির গড় উচ্চতা ৬০০-১,৬০০ মিটার।
মেঘালয় মালভূমি পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত তিনটি ক্ষয়জাত পাহাড় নিয়ে গঠিত—গারো, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া। মেঘালয় মালভূমির পশ্চিমে অবস্থিত গারো পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নক্রেক (১,৪১২ মিটার)।মেঘালয় মালভূমির উত্তরে বিস্তৃত রয়েছে শিলং পাহাড়। শিলং শৃঙ্গ (১,৯৬১ মিটার) হল শিলং পাহাড় তথা মেঘালয় মালভূমির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। মেঘালয় মালভূমির দক্ষিণে খাড়া চড়াইকে ওয়ার বলা হয়। মেঘালয় মালভূমির উত্তর-পূর্ব দিকে মিকিরের পাহাড়ি অঞ্চল বিস্তৃত রয়েছে, মধ্যভাগে অবস্থিত রয়েছে খাসি ও জয়ন্তিয়া পাহাড়—এর উচ্চতা ১,৫০০-২,০০০ মিটার। শিলং পাহাড়ের দক্ষিণে চুনাপাথরে গঠিত চেরা মালভূমি অবস্থিত। মেঘালয় মালভূমিতে চুনাপাথরগঠিত বহু পার্বত্য গুহা রয়েছে। এদের মধ্যে গারো পাহাড়ের সিজু গুহাটি উল্লেখযোগ্য।
Comments
Post a Comment